মায়া মুখোপাধ্যায় পর্ব ১: অদৃশ্য কালি রাত সাড়ে বারোটার পর কলকাতার গলিগুলো এমন এক শ্বাসে ঢুকে পড়ে, যাকে আলাদা করে বোঝানো যায় না— যেন শহরটা এক বিশাল ঘড়ির কেসিং, ভেতরে অদেখা গিয়ারেরা ধীরে ধীরে ঘোরে, আর প্রতিটি ক্লিকের মাঝে কোথাও একটুখানি অন্ধকার জমে ওঠে। সেই অন্ধকারে পায়ের শব্দ মিশিয়ে দ্রুত হাঁটছিল শায়ন্তনী সেন— শহরের ছোট্ট এক সংবাদমাধ্যমের ক্রাইম রিপোর্টার। এক ঘণ্টা আগেই তার কাছে এসে পৌঁছেছে একটি অদ্ভুত খাম— কোন প্রেরকের নাম নেই, শুধু টপাটপ করে বসানো তিনটি কালো ডট, যেন কেউ ইচ্ছা করে বাকিটুকু গিলে ফেলেছে। খামের ভেতরে একটিই কাগজ, তাতে মাত্র এক লাইন: “ঘরের নিশ্বাস শুনতে পেলে বুঝবে…
-
-
অভিজিৎ জোয়ারদার ১ আকাশ যেন দিনের আলো গিলতে শুরু করেছে। এক অদ্ভুত চাপা অন্ধকার পুরো উপকূলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। আবহাওয়াবিদ নিহারিকা চৌধুরী, খুলনার উপকূল গবেষণা কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমে বসে মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে আছেন রাডার স্ক্রিনের দিকে। ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস তার কাছে নতুন কিছু নয়, কিন্তু এবার কিছু অস্বাভাবিক। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র বারবার তার গতিপথ পরিবর্তন করছে— যেন কারও নির্দেশে চলছে। সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বা বায়ুচাপ এসব নিয়ন্ত্রণ করে সাইক্লোনের দিক, কিন্তু এবার সে নিয়ম মানছে না। উপগ্রহচিত্রে দেখা যাচ্ছে, ঝড়টি অদ্ভুতভাবে ঘনীভূত হচ্ছে, অথচ পূর্বাভাস অনুযায়ী এটি মাত্র একটি লো প্রেসার থাকার কথা ছিল। নিহারিকা তাঁর সহকর্মী সাব্বিরকে বলেন, “এই কিছু একটা গড়বড়…