তীর্থঙ্কর দেবনাথ রবিবারের সকালটা বরাবরই অন্যরকম। শহর যেন একটু দেরিতে চোখ মেলে, অটো-ট্যাক্সির হর্নের কোলাহল নেই, দোকানদারের গলা নেই, শুধু রয়েছে এক ধরনের অলস নিস্তব্ধতা, যেন শহরও একটু বিশ্রাম নিচ্ছে। ঋজু চক্রবর্তী এই নিস্তব্ধতা ভালোবাসে, বরং সারা সপ্তাহ তার যান্ত্রিক অফিসজীবনের মাঝে সে শুধু এই একদিনের জন্য অপেক্ষা করে। তার ছোট্ট ব্যাচেলর ফ্ল্যাটের সাদা রঙের বারান্দাটা ঠিক উত্তর দিকে মুখ করা, আর সেই মুখোমুখি বারান্দাটিতেই থাকেন একজন মেয়ে—ঐশানী সেনগুপ্ত। বয়স হবে হয়তো পঁচিশ-ছাব্বিশ, প্রতিবার চুল বাঁধেন আলগা খোঁপায়, কখনো ফুলদানিতে গাঁদাফুল রাখেন, আর সকালবেলা বারান্দায় বসে মাটির কাপ হাতে চা খান। তারা কখনো কথা বলেনি, এমনকি একবারও নয়, কিন্তু এই…