রূপসী সেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী, লোককথা ও পৌরাণিক কাহিনি নিয়ে গবেষণা করছে। তার প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল এমন কিছু কাহিনি খুঁজে বের করা যা আধুনিক সমাজে হারিয়ে যেতে বসেছে। স্থানীয় গ্রামে ঘুরে ঘুরে মানুষদের সঙ্গে কথা বলার সময় সে শুনেছে এক রহস্যময় মঠের কথা, যেখানে অতিপ্রাকৃত ঘটনা সংঘটিত হয় বলে মানুষের মধ্যে ভীতি ও কৌতূহল দুটোই বিরাজ করে। গ্রামের প্রবীণরা বারবার তাকে সতর্ক করেছে, “মঠে যেও না, রূপসী। সেখানে যে ঘটনা ঘটে, তা কল্পনার অতীতেও নেই।” রূপসী শুরুর দিকে ভয় পেয়েও গবেষণার প্রতি তার আকর্ষণ তাকে পিছনে সরাতে পারেনি। প্রতিটি লোককথা তাকে আরও গভীরে টানছে, যেন মঠের প্রতি একটি অদৃশ্য…
-
-
১ শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা সেই নাট্যমঞ্চের নাম একসময় উচ্চারণ করলেই লোকেদের চোখে ভাসত জৌলুশ, আলো, করতালির ঝড় আর অভিনয়ের এক অদ্ভুত মায়াবী মঞ্চ। থিয়েটারের আসল গর্ব ছিল এর দল, যেখানে দেশের প্রথম সারির অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সমাগম হতো। সেদিনও তার ব্যতিক্রম ছিল না। মঞ্চে উঠেছিল বহুল প্রতীক্ষিত নতুন নাটক—“রক্তচক্ষু।” শহরের সাংস্কৃতিক মহলে বহুদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই নাটক, কারণ এটি পরিচালনা করেছিলেন কিংবদন্তি নাট্যকার অমরেশ সেন নিজে। অডিটোরিয়াম ভর্তি দর্শকেরা অধীর আগ্রহে বসেছিলেন, তাদের চোখে মুখে আলো ঝলমল করছিল মঞ্চের প্রথম দৃশ্যের অপেক্ষায়। পর্দা উঠল, আলো জ্বলে উঠল, আর নাটকের সংলাপে ভেসে গেল চারপাশ। শুরুটা ছিল নিখুঁত, অভিনেতাদের অভিনয়,…