সোহিনী বসু এক কলকাতার গরমটা যেন সেই বছরটা একটু বেশি ঘামঝরা ছিল। দক্ষিণ কলকাতার গলির ভেতর অবস্থিত একটা ছোট থিয়েটার ওয়ার্কশপ—চৌধুরি লেনের পুরনো ভবনটা—গ্রীষ্মের বিকেলগুলিতে রিহার্সালের শব্দে যেন হাঁপিয়ে উঠছিল। সেই ওয়ার্কশপেই প্রথম দেখা হয়েছিল রিয়া সেন ও ঐশী রায়ের। দুজনেই ছিল নতুন—রিয়া মূলত স্ক্রিপ্ট লিখত, মাঝে মাঝে অভিনয়েও নামত, আর ঐশী—একজন স্কুলশিক্ষিকা হলেও থিয়েটারের প্রতি দুর্নিবার টান টের পেয়ে ঢুকে পড়েছিল এই নাটকের জগতে। প্রথম দিনেই এক জায়গায় বসে দুজনেই হাত ফোল্ড করে চুপচাপ দেখছিল অনুশীলন চলতে। চোখাচোখি হয়েছিল একবার, কিন্তু কোনো আলাপ তখনও হয়নি। রিয়া বেশ কিছুদিন ধরে নিজের মধ্যে এক অজানা আবেগ খুঁজে চলেছে—একটা চোরা আকর্ষণ, যা…
-
-
জাহ্নবী বৰা জানুৱাৰী মাহৰ এটি ধুমুহা-সন্ধিয়া আছিল, জোড়হাটৰ বৰুৱা পথৰ চাৰিওফালে পাতনি থকা বনৰ লগত লাগি থকা চিপৰ পথাৰখনৰ মাজেৰে এখন পুৰণি মাৰুতি ভেন আহি থমকি ৰ’ল। গাড়ীৰ পৰা ওলাই অহা সৰু-দেহীয়া, উজ্বল চশমা-পিন্ধা, কালচে চামৰাৰ জেকেটত লুকাই থকা মানুহজন হ’ল অঞ্জন কলিতা — তেজপুৰৰ ‘প্ৰবাহ’ খবৰ কাকতৰ অনুসন্ধানী সাংবাদিক। তেখেতৰ হাতত এটা ৰঙা ফাইল — য’ত “চিপৰ চৌপাশে — ৩টা খুন, একো প্ৰমাণ নহয়” বুলি মোটা অক্ষৰত লিখা। কিছুমান অনুসন্ধানীৰ বাবে কেছ এটা মাথোঁ কাগজৰ বস্তু, কিন্তু অঞ্জনৰ বাবে এইটো ব্যক্তিগত। তেওঁ বেয়া অনুভৱ কৰিছিল — যেন এই চিপৰ পথাৰ, এই মৰান গছবোৰ আৰু সৰু লহৰীয়া বতাহৰ মাজত এক…
-
শ্রেয়া মুখার্জী ১ রূপা সেন জানালার পাশে বসে ছিল, ঘরের অন্ধকারে আধা-দৃশ্যমান তার মুখে দিনের ক্লান্তির ছাপ। বৃষ্টি থেমে গেছে কিছুক্ষণ আগে, জানলার কাঁচে জলের রেখাগুলো ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছিল। বাইরের আলো আর ঘরের নিস্তব্ধতা মিলে একটা ঘুমন্ত দৃশ্যপট তৈরি করেছিল। রান্নাঘর থেকে ভাতের চাপা গন্ধ আসছিল, কিন্তু সেই গন্ধেও যেন কোথাও কোনও উষ্ণতা ছিল না। অভিরূপ একটু আগেই ঘরে ফিরেছে, অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে সোজা টিভির সামনে বসে গেছে—সাধারণ, প্রতিদিনের দৃশ্য। “আজ অফিসে অনেক চাপ ছিল,” বলেছিল সে, রূপাও মুখ ঘুরিয়ে বলেছিল, “আমারও।” কথাবিনিময় সেখানেই শেষ। এভাবেই শেষ হয় প্রতিদিনের আলোচনার পরিসর—যেন কোনও অদৃশ্য নিয়মের বাঁধনে তারা আটকে আছে,…
-
Prakash Iyer 1 The heat of the festival hung heavy in the air, thick with sandalwood smoke, jasmine petals, and the rhythmic thud of chenda drums echoing off ancient temple walls. Women moved through the temple grounds in waves of red and gold, their sarees shimmering under strings of hanging oil lamps. In the courtyard of the Thirumandhamkunnu Temple, amidst the pulse of ritual and devotion, a body lay sprawled near the banyan tree where devotees tied threads for wishes. The crowd had not noticed her at first, assuming she was just another woman overcome by the rush of the…
-
Niyati Sharma The Perfect Escape The road to Rose Hollow curved like a question mark through the misty ridges of the Lake District. Fog clung to the narrow lanes like a hush that had forgotten how to lift. Alice kept her eyes on the pine-shaded drive as Tom navigated their little rented hatchback past an iron gate that creaked open without assistance. The gravel crunched beneath their tyres as the house came into view. “That’s… beautiful,” Alice said, finally breaking the silence. The cottage was postcard-perfect—stone walls laced with ivy, a red-tiled roof sloping under decades of moss, and two…
-
অন্বেষা সেন নীল করচা, নীল চোখ বৃষ্টি থেমেছে। ঝাঁঝালো এক নীরবতা জমে আছে নদিয়ার ঠাকুরবাড়ির চারদেয়ালে। বাড়ির ভাঙা ভাঙা বারান্দায় দাঁড়িয়ে শ্রেয়া মনে মনে ভাবল, “সব রহস্যের শব্দ হয় না—কিছু শুধু নীরবতা দিয়ে ডাকে।” তিন দিন ধরে সে এই পুরনো জমিদারবাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। গবেষণার বিষয়: “উনবিংশ শতাব্দীর নারীলোকের গোপন আখ্যান ও অলিখিত তান্ত্রিক প্রথা।” ইতিহাস বিভাগ এহেন ‘পপুলার’ বিষয়ে নাক সিঁটকোলেও শ্রেয়ার গবেষণা গতি থামেনি। বরং গতকাল রাতে পুরনো আলমারির পেছনে এক নীল কাপড়ে মোড়া ডায়েরি পেয়ে তার গবেষণা হঠাৎই ধাঁধা হয়ে উঠেছে। আজ সকালে সে ধুলো ঝেড়ে সেই নীল করচা খুলে পড়তে শুরু করে। “শ্রীশ্রী বগলা মহাবিদ্যায় নমঃ। এ…
-
Part 1 – The 47th Floor The first thing Maya Collins noticed about the 47th floor was the silence. Not the kind that came from focused minds or noise-cancelling walls. This silence was thick. Artificial. Like the air itself held its breath. The elevator pinged softly behind her, then slid shut with a whisper. She turned to face the floor. Rows of polished glass offices stretched in clean symmetry. Frosted doors. Sleek desks. Not a single paper out of place. No chatter. No laughter. Just the rhythmic hum of overhead LEDs and the distant murmur of printers working alone. Maya…
-
সুদীপ্তা কর ১ সরকার পরিবার বহু পুরোনো। শহরতলির শেষপ্রান্তে, ক্যানেলের ধারে মোটা পাঁচিলে ঘেরা প্রাসাদসদৃশ এক বাড়ি—যার কাঠের দরজার ওপর এখনও খোদাই করে লেখা আছে ‘সরকার ভিলা, ১৯২৩’। প্রবোধ সরকার এখানে জন্মেছিলেন, তাঁর বাবা-মারও জন্ম এই বাড়িতেই। সময় বদলেছে, কিন্তু বাড়ির চালচিত্র, লোহার রেলিং, কাঠের মেঝে—সবই থেকে গেছে ঠিক তেমনি। বিয়ের দিনটা ছিল মাঘের মাঝামাঝি—হালকা শীত, শিউলির শেষ গন্ধ, আর বাড়ি ভরা আলো। বিয়ের কোলাহলের মধ্যে শ্রেয়া এসে পা রাখল এই পুরনো সংসারে, লাল বেনারসীতে ঢাকা মুখে একরাশ লাজ লুকিয়ে। মীনাক্ষী দেবী, নতুন বৌমাকে দেখে অদ্ভুত একটা প্রশান্তি অনুভব করলেন—মেয়েটা যেন একদম শান্ত, পরিণত, গম্ভীর। সে কম কথা বলে, হাসে…
-
মোহনা বসু উত্তর কলকাতার পুরনো এক গলিতে দাঁড়িয়ে থাকা তিনতলা বাড়িটার নাম ‘শ্রীনিবাস’। বয়স প্রায় একশো বছরের কাছাকাছি। দরজার কাঠে হাত রেখে চোখ বন্ধ করলে এখনও মনে হয় যেন কেউ আঙিনায় রাঁধুনি দিদার হাঁকডাক দিচ্ছে, ভিতরে কেউ রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইছে, আর পেছনের জানালা দিয়ে ভেসে আসছে ফুলকোচুর গন্ধ। এই বাড়িরই বড় কন্যা রোহিনী সেন, বয়স একুশ, প্রেসিডেন্সি কলেজের দর্শনের ছাত্রী। জন্ম থেকে বড় হওয়া এই বনেদি পরিবারে, যেখানে মেয়েরা কথা কম বলে, হাঁটে মেপে মেপে, হাসে মাথা নিচু করে। রোহিনীর বাবা অশোক সেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, মুখে মেপে কথা বলা, চোখে ঠাণ্ডা নিয়ন্ত্রণের রোশনাই। মা বাণী সেন, সমাজে পরিচিত এক ‘আদর্শ স্ত্রী…
-
शिवांगी वर्मा सूर्य अस्त होते-होते बनारस की गलियों में साँझ की परछाइयाँ उतरने लगी थीं, और अस्सी घाट की सीढ़ियाँ रोज़ की तरह शांत और उदास थीं। गंगा की लहरों में हल्की-सी चांदी की चमक थी, लेकिन उस शाम घाट पर कुछ अजीब-सा सन्नाटा पसरा था। स्थानीय नाविक सोमू जब पानी से लौट रहा था, तभी उसने घाट के तीसरे पत्थर पर एक अधेड़ उम्र के आदमी को पड़ा देखा—गर्दन झुकी हुई, आँखें खुली पर निष्प्राण, गले में तुलसी की माला, और हाथ में एक फटा हुआ कागज़ जिसमें कोई संस्कृत श्लोक लिखा हुआ था। “श्रीमान जी…?” सोमू ने डरते…