১ নগাঁওলৈ অহা ৰাস্তাটো বৰ ধূলিমাখি আৰু লোডেড। কামৰ নিদ্ৰাহীন দৌৰাতোণত দিন–ৰাতি বোজা–বাহী ট্রাক আৰু বেচা–কেনা কৰাৰ টেম্প’ মেলিছে। তাৰ মাজে গুৱাহাটীৰ এজন সাংবাদিক—নিপুন বৰা। বয়স একে ত্ৰিশ–চৌত্রিশ, বৰ পুৰণি অভ্যাস—যি কথাই মানুহে ভৌতিক বুলি ভাবে, তেওঁ সেইবোৰৰ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বিচাৰে। কেতিয়াবা মানসিক বিভ্ৰান্তি, কেতিয়াবা ধ্বনি–প্ৰতিধ্বনি, কেতিয়াবা গছ–পাতৰ ছায়া—এইবোৰকেইখন তিনি লাইন লিখি তেওঁ কাগজৰ কলাম ভৰাই দিয়ে। কিন্তু এবাৰ সম্পাদকৰ আদেশ বেলেগ আছিল। “নিপুন, নগাঁওত এটা পুৰণি চাহবাগিচা আছে। তাত নাকি সন্ধিয়া পিছে মানুহ নাযায়। কয়, এটা ওখ ডিমৌ গছৰ তলত অদ্ভুত হাঁহি শুনা যায়। এতিয়া তই খোজ কাঢ়, খাটি–খুটি বুজ, আৰু এটা লম্বা প্ৰতিবেদন লিখ। পাঠকৰ আগ্ৰহ থাকিব।” এই…
-
-
Maya Arora The rain had been falling since afternoon, coating the windows of the office with a restless sheen. Ananya sat at her desk staring at the spreadsheet that refused to balance itself, the numbers running like water in her mind, slippery and without form. Outside, the glass tower of Connaught Place glowed with rain-washed neon. She should have been heading home by now—her husband, Arindam, would already be waiting, the television on, dinner reheated by the house-help, a routine that had long solidified into something resembling safety, or perhaps imprisonment. But instead, she lingered, scrolling through meaningless columns, waiting…
-
অর্ণব দাশগুপ্ত পর্ব ১: লাল সূচকের সকাল শেয়ার বাজারের দালালদের জীবনকে বাইরের লোকেরা চকচকে ভেবে নেয়। যেন প্রতিদিনই টাকার বৃষ্টি হয়, প্রতিটি ডাকে লেনদেনের ঝলমলে খেলা। কিন্তু ভেতরে যারা থাকে, তারা জানে আসলে কেমন চাপ, কেমন দমবন্ধ করা দৌড়, আর কেমন গোপন ভয়ের সঙ্গে প্রতিদিনের হিসাব মেলাতে হয়। সৌমিক চৌধুরী সেই ভেতরের মানুষ। সবার কাছে সে “সৌমিক দা”—কলকাতার ডালহৌসির এক পুরোনো শেয়ার ব্রোকারেজ অফিসের নির্ভরযোগ্য দালাল। তার হাতে ক্লায়েন্টরা তাদের সঞ্চয় তুলে দেয়, তাদের স্বপ্ন, তাদের ভরসা। আজকের সকালটা শুরু হয়েছিল আশ্চর্যভাবে ভারী এক নীরবতায়। টিভির স্ক্রিনে তখনও বাজার খোলেনি, কিন্তু সূচকের আগে-পরে ছুটে চলা লাল আর সবুজ রেখাগুলো যেন…
-
Aarav Mehta At 02:17 a.m., my phone rang with the same number that had stopped calling me eight years ago, a ghost of ten digits branded into the inside of my skull, and by the second ring my ribs felt like a locked drawer someone was rummaging through; I swiped, whispered “hello,” and heard only the soft clicking of a line held slightly open, air carrying the distant hum of traffic and a faint three-note whistle that I recognized from a forgotten Kolkata monsoon when an informant named R—had told me you could train a bird to return home but…
-
অভিজিৎ রায় পর্ব ১ কালো মেঘে ঢাকা সন্ধেটা যেন গ্রামের বুক থেকে আলোটুকু শুষে নিয়েছিল। নদীর ধারে পেঁচানো পথ দিয়ে হাঁটছিল অর্ণব। কলকাতা থেকে সে এসেছিল কিছু কাজের সূত্রে, কিন্তু এই গ্রামে এসে তার মনে হচ্ছিল, শহরের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পাওয়া মানে এই নয় যে মন শান্ত হয়ে যাবে। বরং প্রকৃতির অন্ধকারের ভেতরেই এক অদ্ভুত নিঃসঙ্গতা ঘিরে ফেলছিল তাকে। গ্রামটার নাম কাশীপুর, লোকসংখ্যা অল্প, আর চারদিকে ঘন জঙ্গল। তার থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল এক পুরোনো বাড়িতে—লোকেরা যাকে বলে মজুমদারদের পরিত্যক্ত ভিটে। লোকজন তাকে আগেই সাবধান করেছিল, রাত হলে যেন একা বাইরে না বেরোয়। অর্ণব ভেবেছিল, এগুলো নিছক গ্রামীণ গুজব, যেখানে ভূতের…
-
ऋषभ शर्मा १ दिल्ली के उत्तरी हिस्से में एक ऐसा इलाका है जिसे लोग अब बस “पुराना औद्योगिक क्षेत्र” कहकर पुकारते हैं। कभी यहाँ कारख़ानों की कतारें थीं, मशीनों की आवाज़ और मजदूरों की भीड़ से गली-गली गूंजती रहती थी, लेकिन अब सब कुछ खंडहर में बदल चुका है। टूटे हुए शटर, जंग लगे बोर्ड, काई से ढकी दीवारें और जगह-जगह पड़े लोहे के टुकड़े इस क्षेत्र को एक अजीब वीरानी का चेहरा देते हैं। सबसे भयावह है उस लंबे, टेढ़े-मेढ़े रास्ते के बीचों-बीच खड़ा एक पुराना, काला लैम्पपोस्ट। उसकी पीली रोशनी धुंधली और कांपती-सी लगती है, जैसे खुद उस…
-
Arjun Mehra I carried my boxes up the third-floor because the lift wheezed and stalled and there was nobody to complain to at nine at night. The landing bulb blinked, giving the corridor a feeling of breathing, and my new door, 3B, looked like a mouth that had forgotten how to smile. I wanted anonymity: an unremarkable building, a small deposit, closed doors until my thoughts stopped arguing with the past. The lock turned cleanly. The rooms smelled of old paint and last year’s rain, dull enough to feel like starting over. Across the landing stood 3A. Curtains drawn, a…
-
ঋতুপৰ্ণা বৰুৱা পৰ্ব ১ শহৰৰ সেউজীয়া ৰঙেৰে ঢাক খোৱা এটা সৰু কলেজ চহৰ, সাঁঝ নামিলে য’ত বাতি আৰু কোলাহলত ভৰি যায়। তেতিয়া কলেজৰ পেছৰ ফালে থকা কঁপা বাঁহজোপাৰ মাজেৰে একোখনি হ’লতকৈ বেছি শূন্য পথত হাঁটিছিল অদিতি। দীৰ্ঘ কেশত বতাহৰ কুঁদনি, সৰু সৰু বৃষ্টিৰ ফোঁটাৰে সপোনীয়া ৰূপ পাইছিল। তেওঁৰ মুখত চিন্তাৰ আভা আছিল যদিও চকুৰ কাষত লুকাই থকা আভাময় হাঁহি এখন ইঙ্গিত দিছিল–মনত কিবা নতুন গল্প পাতিছে তেওঁ। অদিতি এই চহৰৰ এক নামী কলেজৰ শেষ বৰ্ষৰ ছাত্ৰী। সাহিত্য বিভাগত অধ্যয়ন কৰিলে যদিও তেওঁৰ প্ৰকৃত প্ৰেম কবিতাত নহয়, সংগীতত আছিল। গীত গোৱা আৰু শুনাৰ মাজতেই তেওঁ নিজৰ মানসিক পৰিসৰ নিৰ্মাণ কৰিছিল। আজিও…
-
মৌসুমী সেনগুপ্ত এক অর্পিতা সেনগুপ্তের জীবনে যেন এক অচেনা ঝড় নেমে এসেছে হঠাৎই। বিয়ের মাত্র এক বছরের মাথায় সম্পর্ক ভাঙনের সিলমোহর এসে পড়ল তার কপালে। চারপাশের মানুষজনের মুখে একরাশ ফিসফিসানি, একরাশ হাহাকার, আর হাজারো প্রশ্ন—সবকিছুই যেন তাকে এক নিমেষে নীচে ফেলে দিল। দিন কয়েক আগেও যে সংসারের স্বপ্ন চোখে ভাসতো, ঘর সাজানোর পরিকল্পনা করতো, মনের গোপনে ভবিষ্যতের ছবি আঁকতো—আজ সেসব কিছুই যেন ধুলোয় মিশে গেছে। রোহিতের সঙ্গে তার সম্পর্কটা শুরু থেকেই খুব মসৃণ ছিল না। রোহিত চেয়েছিল অর্পিতা সংসারে ডুবে যাক, তার নিজের ক্যারিয়ার, নিজের স্বপ্ন যেন গুটিয়ে রেখে দেয়। অথচ অর্পিতা চেয়েছিল নিজের পড়াশোনা, নিজের মেধা আর পরিশ্রমকে কাজে…
-
Devraj Sinha The monsoon had not yet broken, but the clouds over Mumbai were swollen with a menace that seemed to mirror the city’s mood. At Marine Drive, waves pounded against the seawall as if the Arabian Sea was impatient with human stubbornness. Detective Arvind Rao, sitting in the back of a police jeep, felt the salt spray coat his face as they sped past the stretch of neon-lit hotels that fronted the coast. His phone buzzed again; Commissioner Kulkarni’s voice had been sharp and hurried. “Bollywood producer, big name, dead in a penthouse. Locked room. Media will have a…