दीप्तिमान शर्मा अध्याय १– वादियों की दहलीज़ दिल्ली से श्रीनगर की उड़ान जैसे ही बादलों को चीरते हुए नीचे उतरने लगी, लेखक की आँखों के सामने फैली धरती ने एक नया ही रूप ले लिया। धुंध और बर्फ की परतों से घिरी पहाड़ियाँ मानो किसी चिर-परिचित चित्र की तरह सामने थीं, जिन्हें उसने केवल किताबों और फिल्मों में देखा था। श्रीनगर के हवाई अड्डे पर उतरते ही ठंडी हवा का पहला झोंका जैसे उसे उस अनदेखी दुनिया के स्वागत में गले से लगा लेता है। हवाई अड्डे से बाहर निकलते ही उसकी नज़रें बर्फ से लदी देवदार की कतारों और…
-
-
Prabir Arora The first chapter of the story plunges the reader straight into the heart of a lavish South Mumbai wedding, a world that Diya, an introverted and somewhat socially awkward book editor, finds both dazzling and suffocating. From the moment she steps into the sprawling banquet hall, she is overwhelmed by the kaleidoscope of colors, sparkling sequins, and the constant hum of chatter and laughter. Every corner is crowded with impeccably dressed guests, eager to showcase their latest outfits and perfect social media selfies. Diya feels out of place, a silent observer in this whirlwind of glamour, her discomfort…
-
১ অর্পিতা শহরের ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে চলছিল, যেখানে ব্যস্ত মানুষের হাহাকার আর যানজটের শব্দ যেন তার মনকে আরও একরকম বিচ্ছিন্ন করে তুলছিল। হঠাৎ তার নজর পড়ল পুরনো, অদ্ভুত আকৃতির এক দোকানের দিকে, যেটি শহরের অন্যান্য আধুনিক ভবনের মধ্যে এক অদ্ভুত নীরবতা এবং রহস্যময়তা ছড়াচ্ছিল। দোকানের জানালা ফ্যাকাশে আলোর রেখা দিয়ে ভিজে ছিল, আর কাঁচের পৃষ্ঠে বয়সের ছাপ এবং ধুলো মিশে এক অদ্ভুত আভা তৈরি করছিল। অর্পিতার মনে জোরালো কৌতূহল জাগল, যেন তার অন্তরই তাকে ডেকেছিল। ধীরে ধীরে সে ধাপ ফেলল, এবং দোকানের ভিতরে প্রবেশ করতেই এক ভিন্ন জগতের অনুভূতি জাগল। বাতাসে ঘন অজানা গন্ধ আর ম্লান আলো মিশে যেন কোনো…
-
১ পুরনো শহরের খাম্বা-খাম্বা সড়ক পেরিয়ে ছাত্রটি অবশেষে সেই হোটেলের সামনে থামে, যেটি অনেক দিনের পুরনো কাহিনী আর শহরের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। হোটেলটি বাইরে থেকে দেখতে চেহারা হিসাবে সময়ের সাক্ষী—পুরনো দেয়ালগুলোতে ফাটল, ধুলো জমে থাকা জানালা, এবং কখনো ভাঙা কখনো রঙ ছুঁয়ে থাকা দরজা, যেন প্রতিটি কোণই নিজের ভাষায় শহরের অতীত গল্পগুলো বলে। প্রবেশদ্বারে ধাতব ঘণ্টার গর্জন ভাঙতে ভাঙতে বাজে, আর সেই শব্দের প্রতিধ্বনি ভেতরের খালি প্রাঙ্গণে একটা অদ্ভুত নীরবতার সৃষ্টি করে। হোটেলের লবি কোনো সাধারণ হোটেলের মতো উজ্জ্বল বা আতিথ্যপূর্ণ নয়; বরং এতে আছে ধূসর রঙের ছায়া, পুরনো কাঠের মেঝেতে পা ফেলার সাথে সাথে কেবল ধীর ধীর শব্দ,…
-
Asit Rana Chapter 1 – The Disappearing Drivers The first whispers began as roadside gossip, exchanged over steaming cups of chai at dhabas dotting the endless stretch of National Highway 44. A driver from Punjab was said to have vanished in the dead of night, leaving behind a truck still humming on the shoulder of the road, headlights flooding an empty stretch of asphalt. Within days, another truck was found in similar fashion near Nagpur — its cabin door swinging in the wind, the driver nowhere in sight. Soon, the pattern became undeniable. Drivers who set out with their consignments…
-
প্রাপ্তি নাগ অজয় শহরের দীর্ঘ এবং অবিরাম কোলাহল থেকে দূরে এক নিস্তব্ধ ঠিকানা খুঁজছিলেন, যেখানে তার লেখক মনের প্রশান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। প্রায় এক বছরের ব্যস্ততা, মেট্রোর শোরগোল, অফিসের জটিলতা এবং শহরের অগণিত মানুষের মাঝে নিজেকে হারিয়ে যাওয়ার পর, সে অনুভব করছিল একরাশ শান্তির প্রয়োজন। অজয় সিদ্ধান্ত নিলেন সুন্দরবনের এক ছোট দ্বীপ কাঁঠালপুরে ছুটি কাটানোর জন্য। দ্বীপটি শহরের আধুনিকতা থেকে বহু দূরে, যেখানে শুধু নদী, জঙ্গল এবং ছোট্ট গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন জীবন প্রবাহিত হয়। নৌকায় চড়ার সময় নদীর ঢেউয়ের সরল ছন্দ তাকে প্রথমবারের মতো মনে করিয়ে দিল প্রকৃতির এক অমোঘ সৌন্দর্য। নদীর তীরে হালকা কুয়াশা, দূরের গাছেদের গাঢ় সবুজের স্তর,…
-
ৰোহিত গগৈ অধ্যায় ১: অদৃশ্য পথিক অসমৰ জংঘল সবাতেই গভীৰ আৰু রহস্যময়। এয়া সাধাৰণ বনৰ দৰে নহয়—এতিয়া সময়ৰ সলনি, কিন্তু ইয়াৰ গহন তলত ক’ত যেনো কোনো অচেনা শক্তি গোপনে নিশ্বাস লয়। গাঁওখনৰ মানুহে জানে যে এই বন এদিনে শিকারী আৰু গাইডৰ স্বৰ্গ আছিল, কিন্তু বৰ্তমান ইয়াৰ গপ অনাত্মীয় আৰু ভয়াৱহ। গাঁওবাসীৰ মতে, প্রতিমাহে, বছৰত বহু সময়তে কিমান যেনো লোক কোনো চিহ্ন নথকা অৱস্থাত হেৰাই যায়। প্ৰথমে ধৰা হৈছিল বাঘ বা ভালুকৰ আক্রমণ, কিন্তু সিহঁতৰ মৃতদেহ কেতিয়াও ঘূৰাই নোপোৱা হৈছে। এই বনখনত গছৰ পাতৰ শব্দত যেনো অচিনাকি ফুঁফঁনি বাজে, পাখীৰ ডাকত যেনো এক অন্তৰ্যামী সংকেত থাকে, আৰু ৰাতিপুৱাৰ শূন্যতাত গাঁওবাসী দিশহাৰা…
-
সুদীপ্ত ভৌমিক ১ কমনার দিনগুলি যেন একটি নিরব, নিঃশব্দ নদীর মতো ধীরে ধীরে চলতে থাকে, যেখানে কোন রঙ বা উত্তেজনার স্পন্দন নেই। সকাল শুরু হয়, সূর্যের প্রথম আলো তার বেডরুমের জানালার কাচে প্রতিফলিত হয়ে ধূসর ছায়া ফেলতে থাকে। ঘরের ভিতরে সমস্ত কিছু নিখুঁতভাবে সাজানো—সাদা পর্দা, মসৃণ কাঠের ফ্লোর, এবং ফ্রেমে ঝুলানো স্বল্পাঙ্গী তাজা ফুলের পিক। কিন্তু এই নিখুঁত সাজানো পরিবেশের ভেতর কমনার হৃদয় যেন শূন্য। তার স্বামী দিনের বেশির ভাগ সময় অফিসের ব্যস্ততায় এবং ব্যবসার জটিলতায় ডুবে থাকেন, ফলে কমনা একা থেকে যায় সংসারের সকল দায়িত্বে। নাস্তার জন্য চা বানানো, ঘর পরিষ্কার করা, পোষ্য বিড়ালকে খাওয়ানো—এই রুটিনের মধ্যে দিনটি এগিয়ে…
-
তানিয়া বসু অধ্যায় ১ : নিউরো সিটির স্পন্দন প্রযুক্তির সোনালী জাল যেন ২০৭৫ সালের কলকাতাকে এক নতুন ছন্দে বেঁধে ফেলেছে। মেঘছোঁয়া টাওয়ারগুলোর কাচের দেয়ালে রাতের নীয়ন আলো ঝিলমিল করে, আকাশপথে ভেসে চলা মেট্রোকারগুলো গঙ্গার ওপারে লালচে চাঁদের প্রতিচ্ছবি কেটে যায়। এই শহরের প্রতিটি মানুষ এখন এক অদৃশ্য নেটওয়ার্কের অংশ—মস্তিষ্কের ভেতর স্থায়ীভাবে বসানো নিউরো-লিঙ্ক চিপ তাদের চিন্তা, অনুভূতি, কাজকর্মের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ব্যাংকের পাসওয়ার্ড থেকে প্রিয় গানের প্লেলিস্ট, অফিস মিটিং থেকে ঘরের দরজার লক—সব কিছু এক নিমিষে মস্তিষ্কের সিগন্যালেই নিয়ন্ত্রিত। প্রযুক্তির এই মহোৎসবে কলকাতা যেন হয়ে উঠেছে “নিউরো সিটি”—এক এমন মহানগর, যেখানে বাস্তব আর ভার্চুয়াল একে অপরের সীমানা মুছে ফেলেছে। কিন্তু…
-
ঋত্বিক গাঙ্গুলি পর্ব ১ : অচেনা শহর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো একে একে ট্রেনে উঠছে। ভোরের অন্ধকার তখনও কেটে যায়নি, দূরের আকাশে একটা অর্ধচন্দ্র ম্লান আলো ছড়াচ্ছে। শহরের নাম—চন্দ্রপুর। বেশ বড় নয়, আবার একেবারেই ছোটও নয়। মফস্বল আর শহুরে জীবনের মাঝামাঝি এক টানটান অবস্থান। এ শহরে হঠাৎ এসেছিল অর্ণব দত্ত—চোখে কালো চশমা, পরনে জিন্স আর ফেডেড জ্যাকেট। লম্বা, চওড়া কাঁধ, হাঁটার ভঙ্গিতে সেনা-শৃঙ্খলার আভাস। সে ছিল একসময় আর্মির মিলিটারি পুলিশ। এখন ঘুরে বেড়ানোই তার কাজ। কোথাও গন্তব্য নেই, কোথাও থাকার বাধ্যবাধকতা নেই। চন্দ্রপুরে নামার সিদ্ধান্তটা ছিল সম্পূর্ণ হঠাৎ। ট্রেনটা থামলো, আর সে নেমে গেল। চারপাশের মানুষরা তার দিকে তাকালো,…