Anwesha Roy Chapter 1 – When the Lights Went Out The night air of Kolkata was heavy with humidity, a restless monsoon evening when the clouds hung low over the city and the streets carried the smell of wet tram tracks, diesel, and frying telebhaja from small roadside stalls. Riddhi walked briskly, her umbrella folded and damp at her side, a canvas tote bag stuffed with manuscripts brushing her hip at each step. She had spent the entire afternoon at College Street, haggling with secondhand sellers for rare copies of novels long out of print, and then at her publishing…
-
-
অর্ণব মুখার্জি পর্ব ১ — নতুন স্কুলশিক্ষক বর্ষার শেষে যে ভেজা গন্ধ মাটির ভেতর পর্যন্ত ঢুকে থাকে, সেই গন্ধ নিয়েই অরিন্দম প্রথম দিন গ্রামে পা রাখল। ছোট্ট স্টেশন, নামটি শিলালিপির মতো খসে পড়া বোর্ডে, প্ল্যাটফর্মে দু-একটা কেরোসিনের ল্যাম্প টিমটিম করছে, আর দূরে শালগাছের রেখা এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছে যেন কারও পুরোনো হাতের লেখা— থরথর করে, তবু পড়া যায়। কলকাতা থেকে ট্রেনে নামার পর একটা ভাঙা টেম্পো তাকে স্কুল পর্যন্ত পৌঁছে দিল। স্কুল বলতে ইট-সিমেন্টের দুটো দোচালা ঘর, সামনের মাঠে ঘাস বুনোভাবে উঠে এসেছে, তালগাছের ছায়া পড়ে লম্বা কালচে দাগ। প্রধান শিক্ষক ছুটিতে; সাময়িক দায়িত্বে থাকা ক্লার্কটি, নাম হারাধন, পাতলা গলার লোক,…
-
Ira Sen Part 1 The bus rattled across the endless stretch of Patagonian steppe, its windows clouded with a thin film of dust that the wind seemed to scatter and replace in equal measure. Mira pressed her forehead against the cold glass, staring out at a world that felt larger than any she had known before, a land stripped bare of pretence, where the earth and sky met in an uncompromising line. She had been divorced for six months, though the word still felt sharp on her tongue, and this journey—half impulsive, half deliberate—was meant to be her own form…
-
অয়ন চক্রবর্তী পর্ব ১: উত্তরাধিকার কলকাতার ব্যস্ত জীবন থেকে অনেক দূরে, পুরোনো গ্রাম বাড়িটায় পা রাখতেই অর্কের মনে হল যেন সময় থমকে দাঁড়িয়ে আছে। চারদিক নিস্তব্ধ, কেবল বাতাসে খেজুরপাতার শোঁ-শোঁ শব্দ। অর্ক বহু বছর পর ফিরেছে এখানে—তার ঠাকুরদার মৃত্যুর খবর পেয়েই। ছোটবেলা কেটেছিল এই বাড়িতেই, তারপর বাবা-মায়ের সঙ্গে শহরে উঠে যাওয়া। ঠাকুরদা ছিলেন একেবারে গ্রামীণ মানুষ, কিন্তু তার চোখে একটা অদ্ভুত দীপ্তি ছিল, যেন তিনি অনেক অজানা কিছু জানতেন। বাড়ির ভেতর পা রাখতেই ধুলোমাখা গন্ধ নাকে এল। মাটির দেওয়ালে ফাটল ধরেছে, সিঁড়িতে শেওলা জমেছে। কিন্তু ঠাকুরদার ঘরটা ছিল যেমন ছিল, তেমনই আছে। বাঁশের খাট, একপাশে বইয়ের তাক, আর পুরোনো কাঠের…
-
प्रियांशु त्रिवेदी भाग 1 : पहली मुलाक़ात वाराणसी की संकरी गलियाँ हमेशा से एक रहस्य समेटे रहती हैं—कभी पान की लाली से सजी हंसी, तो कभी मंदिर की घंटियों में घुली प्रार्थना। सूरज जैसे ही गंगा के ऊपर लालिमा फैलाता, घाट की सीढ़ियाँ जीवन से भर जातीं। ठीक ऐसे ही एक सुबह, दशाश्वमेध घाट पर गंगा आरती की तैयारी हो रही थी। भीड़ जमा हो चुकी थी, पुजारियों के मंत्रोच्चार वातावरण में घुल रहे थे, और हवा में अगरबत्ती का धुआँ लहराते हुए अतीत और वर्तमान को जोड़ रहा था। इसी भीड़ में थी आर्या—सफेद सूती सलवार में, हाथ में…
-
অমিত পাল রাতের অন্ধকার গ্রামটিকে পুরোপুরি আচ্ছন্ন করেছিল। চারপাশে নীরবতা, যেন পৃথিবীর সব শব্দ মুছে গেছে। পাতাগুলোর উপর হালকা শিশির জমে আছে, আর বাতাস নীরবভাবে গাছের পাতা দুলাচ্ছে। ছোট্ট গ্রামটির মাটির রাস্তাগুলো এখনো দিনের আলো থেকে দূর্যোগের মতো ফাঁকা। ঘরগুলো নিস্তেজ, জানালার পাশে কোনো আলো জ্বলছে না। তবে গ্রামের এক কোণে, নদীর ধারে, রূপসা একা বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখে অদ্ভুত উচ্ছ্বাসের সঙ্গে এক অচেনা ভয়ও জমেছে। সে জানে, এই রাত অন্য রকম। প্রতিবার এই সময় যখন আকাশে চাঁদের আলো নরম হয়ে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে, তখন সে অনুভব করে গ্রামের সাধারণ নীরবতার মধ্যে লুকানো একটি অদ্ভুত শক্তি। সে…
-
সব্যসাচী পাল সকাল হলে গ্রামের ছোট্ট হোটেলের দরজার বাইরে অর্ণব, মেহুল, ইশিতা, রাহুল ও মায়া একত্রিত হয়। প্রত্যেকের মুখে ভরপুর উদ্দীপনা, যেন পাহাড়ের কোল তাদের রোমাঞ্চের প্রতীক্ষায় রেখেছে। রাহুল ক্যামেরা হাতে খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে, পাহাড়ের চূড়ার ছবি কল্পনা করছে। মায়া তার ব্যাগ চেক করছে, ছোটখাটো জিনিসগুলো ঠিক মতো প্যাক করা আছে কি না। মেহুল তার জুতো ভালোভাবে বাঁধছে, যেন এই পথচলায় কোনো অসুবিধা না হয়। ইশিতা তার স্কেচবুক নিয়ে ব্যস্ত, পাহাড়ের ছবি আঁকার চিন্তায় মগ্ন। আর অর্ণব, যিনি দলটির প্রাকৃতিক নেতা, সকলকে খুঁজে খুঁজে ছোটো ছোটো পরামর্শ দিচ্ছেন। পাহাড়ের তাজা বাতাস তাদের মুখে লাগছে, এবং সেই বাতাস যেন এক…
-
রূপালী মিত্র ১ অজানা শহরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে প্রধান চরিত্রটি একটি নতুন জীবন এবং নতুন সম্ভাবনার সামনে নিজেকে খুঁজে পায়। শহরের বুকে হাঁটতে হাঁটতে সে বিভিন্ন রাস্তার গন্ধ, মানুষের ব্যস্ততা, এবং অচেনা কোলাহলের মাঝে ডুবে যায়। প্রতিটি দোকান, প্রতিটি রাস্তার কোণা যেন তাকে বলে, এখানে কিছু বিশেষ আছে, কিছু অজানা অপেক্ষা করছে। মূল চরিত্রটি নিজেকে হঠাৎ এক ধরণের স্নিগ্ধ উত্তেজনার মধ্যে পায়। হালকা লাজুক হলেও চোখে ভর করে কৌতূহল। সে লক্ষ্য করে, শহরের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট ব্যানার, রঙিন বাতাসে উড়তে থাকা ফ্ল্যাগ, আর দূরে একটি বড় তাঁবুর ছায়া—সবই যেন তাকে আহ্বান করছে। তার পদচারণার সঙ্গে সঙ্গে মনে হচ্ছে শহরের…
-
শাশ্বত বসু সেদিন সন্ধেটা মেঘলার জীবনে অদ্ভুত এক মোড় নিয়ে এল। শহরের এক নামী সাহিত্যিক সংগঠন আয়োজিত বার্ষিক সাহিত্য উৎসবে স্বামী অনিকেতের সঙ্গে গিয়েছিলেন তিনি, মূলত সামাজিক কর্তব্যবোধ থেকে। সাহিত্য নিয়ে মেঘলার আগ্রহ একসময় প্রবল হলেও সংসারের চাপে, অফিস আর গৃহস্থালির দায়ে সেই আগ্রহ অনেকটাই চাপা পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানস্থলের ভেতরে ঢুকতেই বাতাসে বইয়ের গন্ধ, মঞ্চে আলো, দর্শকসারিতে অচেনা অথচ উৎসুক মুখগুলো যেন তাঁর ভেতরে বহু পুরোনো দিনের আবেগকে নাড়া দিল। হাতে ধরা শাড়ির আঁচলটা আঁটসাঁট করে তিনি বসেছিলেন প্রথম সারির মাঝ বরাবর। তখনই হঠাৎ মঞ্চে নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এক পুরুষ কণ্ঠ ভেসে এল—সেই কণ্ঠস্বর, যা তিনি কোনোদিন ভুলতে…
-
শিবানী চৌধুরী এক মাধবীলতার জীবনের ভোর আর রাতের মধ্যে যেন আর কোনো পার্থক্য নেই। সকালবেলায় জানালার ফাঁক গলে আলো এসে পড়লেও তার চোখে সেই আলো ঢোকে না। দিন শুরু হয় কড়াইতে ছটফট করা তেলের শব্দে, চাল ধোয়ার গন্ধে আর শ্রীময়ীর স্কুলে যাওয়ার তাড়াহুড়োয়। কিন্তু সব কিছুর মধ্যেই থাকে এক গভীর শূন্যতা। স্বামী মারা যাওয়ার পর এই কয়েক বছরে সে শিখে গেছে কীভাবে মানুষ নিঃশব্দে বাঁচতে শেখে, কীভাবে একা থেকে চারপাশের মানুষের সহানুভূতির অভিনয় সহ্য করতে হয়। সবাই মুখে বলে—“কি সুন্দর শক্ত করে বাঁচছো গো, মাধবী”—কিন্তু সেই কথার আড়ালে থাকে এক অদৃশ্য বিদ্রূপ, যেন বিধবার জীবনে হাসি-খুশি মানায় না। ঘর সামলাতে,…