• English - Horror

    The Sunken Village

    Lalit Kumar Tripathi The summer sun scorched the land with a vengeance, its fiery rays baking the cracked soil until it seemed the earth itself was thirsty. The dam that once brimmed with monsoon-fed waters now lay half-empty, its shoreline retreating day by day to expose what had been hidden for decades beneath its depths. From the muddy floor emerged strange, skeletal shapes—walls leaning against time, stones half-swallowed by silt, and the tilted shadow of a bell tower that once belonged to a village no one had seen in a generation. Fishermen, their nets dragging in shallow waters, muttered darkly…

  • English - Romance

    The Jaipur Sketchbook

    Kripesh Ojha Arjun stepped out of the rickshaw into the narrow street of the old city, his leather portfolio pressed tightly under his arm as though it might shield him from the stares of curious shopkeepers and children darting past in a whirl of marigold and dust. The haveli loomed at the end of the lane, its arched gateway half collapsed, the carved latticework dulled by soot and time. He had seen photographs in Delhi, of course—grainy images clipped to project files—but the reality was heavier, stranger. The once-vibrant frescoes on the courtyard walls were now ghostly figures, colors leached…

  • English - Science Fiction

    The Time Bazaar of Varanasi

    Nabin Tiwari The evening in Varanasi carried its usual symphony of life and death—the rhythmic chants of priests, the crackle of lamps along the ghats, and the ceaseless murmur of the Ganges beneath a dusky sky. Smoke from incense coils drifted lazily over the stone steps, curling around the heads of pilgrims and the cloaked figures of wandering ascetics. Arjun, whose heart carried the weight of a mother’s fading life, moved silently among the crowd, barely noticing the colors or sounds that so many others revered. His focus was on her pale face at home, the shallow breaths, and the…

  • Bangla - রহস্য গল্প

    অপরাধের প্রতিধ্বনি

    ১ কলকাতার এক প্রাচীন রাজবাড়ি, যার দেয়ালগুলো স্নিগ্ধ ইতিহাস আর অগণিত স্মৃতির বহনকারী, নতুন মালিকদের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন জীবনের আহ্বান জানাচ্ছিল। রঙ ফ্যাকাশে দেয়াল, ভগ্নপ্রায় কাঠের জানালা এবং প্রাচীন সিঁড়ির কুড়ির মতো পদক্ষেপের আওয়াজে যেন অতীতের আভা প্রতিফলিত হচ্ছিল। নতুন মালিকরা, রাহুল এবং তার স্ত্রী ইলা, প্রথমে সবকিছুই আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করলেও, শীঘ্রই তারা লক্ষ্য করল যে রাতের নিরিবিলি মুহূর্তগুলোতে করিডোর থেকে অদ্ভুত পদশব্দ ভেসে আসে। প্রথমে তারা এটিকে ভেবেছিল হয়তো বেজে ওঠা পাখির আওয়াজ বা পুরোনো কাঠের সৃষ্ট স্বাভাবিক শব্দ, কিন্তু সময় যত গড়ায়, শব্দগুলো আরও নির্দিষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট হয়ে ওঠে—কোনও এক অদৃশ্য উপস্থিতি যেন ধীরে ধীরে তাদের…

  • Bangla - সামাজিক গল্প

    শহরের ছাদবাগান

    সোমা বিশ্বাস কলকাতার ভোর আজ আর আগের মতো নয়। যে শহর একদিন মিষ্টি বাতাস, গাছগাছালি আর পদ্মফুলে ভরা পুকুরের জন্য খ্যাত ছিল, সেখানেই এখন কেবল ধোঁয়া আর ধুলোয় ভরে আছে চারপাশ। বহুতলের ছাদ থেকে তাকালে দেখা যায়—নানা রঙের গাড়ি আর বাসের ভিড়, তাদের পেছন থেকে উঠে আসা কালো ধোঁয়া একে অপরের সঙ্গে মিশে শহরকে ঢেকে দিচ্ছে ধূসর কুয়াশায়। একসময় মানুষ ভোরবেলা গঙ্গার ধারে হাঁটতে যেত, পার্কে শিশুরা খেলা করত, তরুণেরা দৌড় দিত—কিন্তু আজ সেই দৃশ্য যেন বিরল। পার্কগুলোর জায়গায় বহুতল উঠেছে, খোলা মাঠগুলোতে দোকানপাট গজিয়েছে, আর যে ক’টি গাছ বেঁচে আছে তারা যেন কেবল নিঃশ্বাস নিতে লড়াই করছে। দূষণের এই…

  • Bangla - ভ্রমণ

    বোটানিক্যাল গার্ডেনের সন্ধ্যা

    অরিন্দম পাত্র প্রতিদিনের মতো সেই একঘেয়ে সকাল, অফিসে পৌঁছনোর আগে ট্রেনের দোল, ট্রামের ঘণ্টা, রাস্তায় অসংখ্য মানুষের ভিড় আর অসহনীয় শব্দে ভরা একটা শহর—কলকাতা। অফিসের কাজ, ক্লায়েন্টের ফোন, মিটিংয়ের চাপ সব মিলে তার দিন যেন একই ছকে বাঁধা। জানলার বাইরে উঁচু বিল্ডিং আর ধুলোভরা রাস্তাই তার প্রতিদিনের দৃশ্য। কিন্তু আজ যেন ক্লান্তি একটু বেশি, কপালের ভাঁজ একটু গভীর, আর বুকের ভেতর এক অদ্ভুত অস্থিরতা। ঘড়ির কাঁটা অফিস ছুটির সময় ছুঁতেই সে ব্যাগটা কাঁধে তোলে, কিন্তু হঠাৎই মন বলে দেয়—না, আজ সোজা বাড়ি ফেরা হবে না। প্রতিদিনের সেই রুটিনে হাঁটতে হাঁটতে তার ভেতরে জমা হচ্ছে একটা অজানা শূন্যতা, আর আজ সেই…

  • Bangla - ভূতের গল্প

    ভূতনাথ ডাকঘর

    সুপ্রিয় মল্লিক অধ্যায় ১: রহস্যময় ডাকঘর গ্রামের প্রান্তে, পুরনো কাঁঠালগাছের ছায়ায় ঢাকা এক বিরাট ডাকঘর দাঁড়িয়ে আছে, যেটি বছর কয়েক ধরে কার্যত উপেক্ষিত অবস্থায় ছিল। দিনের আলোয় ডাকঘরটি দেখতে যেন অতীতের এক ছায়াময় স্মৃতি—ধুলো জমে আছে চারপাশের প্রাচীরের ফাটলগুলোর মধ্যে, ছাদে কোথাও কোথাও মাটি ও কাদা জমে রয়েছে, এবং জানালার কাচগুলো ভাঙা ও ছেঁড়া। গ্রামের মানুষ দূরে দিয়ে হাঁটলেও ডাকঘরের দিকে তাকাতে অস্বস্তি বোধ করে; কেউ কেউ বলতো, “এখানে আর কোনো কাজকর্ম হয় না, শুধু রাতের বেলা ডাকঘরের প্রহরী হয়তো যাদুকরীর মতো নিজে নিজে ঘুরে বেড়ায়।” ডাকঘরের চারপাশে বেড়ে থাকা খড়ের গাদাগুলি ও ঝোপঝাড় যেন আরও ভয়াল একটি পরিবেশ তৈরি…

  • Bangla - প্রেমের গল্প

    গঙ্গার ধারে শেষ সন্ধ্যা

    সুমন্ত নায়েক ১ গঙ্গার ঘাটের বিকেলবেলা যেন এক রহস্যময় আঙিনার মতো ছিল, যেখানে মানুষের ভিড়, ঘাটের সিঁড়িতে বসা প্রার্থনায় নিমগ্ন বৃদ্ধা, ঘুড়ি ওড়ানো ছেলেরা, আর বাতাসে মিশে থাকা ধূপ-গঙ্গাজলের গন্ধ একসঙ্গে মিলেমিশে এক অন্য রকম আবহ তৈরি করেছিল। সেদিন সূর্যাস্তের ঠিক আগে, আকাশে রঙিন কমলা-সোনালি আভা মেখে যখন গঙ্গার শান্ত জলে প্রতিফলন তৈরি হচ্ছিল, তখনই তাদের দুজনের চোখ প্রথমবারের মতো একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়। ভিড়ের মধ্যে এক মুহূর্তের জন্য দুজনেই যেন সময় ভুলে যায়—চোখাচোখির সেই ক্ষণস্থায়ী টান অদ্ভুত এক নীরবতা তৈরি করে, যা চারপাশের কোলাহলের মধ্যে থেকেও কানে বাজতে থাকে স্পষ্ট সুরের মতো। মেয়েটি ঘাটের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে তার শাড়ির…

  • Bangla - কল্পবিজ্ঞান

    স্মৃতিচোর

    অবন্তি দে অধ্যায় ১: শহরের ছায়া ভবিষ্যতের কলকাতা যেন এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে দাঁড়িয়ে আছে। আকাশচুম্বী টাওয়ার, নীয়ন আলোয় ঝলমল করা রাস্তাঘাট, উড়ন্ত গাড়ির শব্দে ভরা আকাশ—সব মিলিয়ে এক মহাজাগতিক প্রযুক্তির ঝলক শহরটিকে নতুন যুগে পৌঁছে দিয়েছে। কিন্তু এই উজ্জ্বলতার মাঝেই অন্ধকার গলিগুলো যেন আরও গভীর হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির আলো যত বেড়েছে, ততই মানুষের ভেতরের ভয়, শূন্যতা আর অচেনা অন্ধকার ঘনীভূত হয়েছে। সেই অন্ধকারেই ঘাপটি মেরে আছে এক রহস্যময় অপরাধী, যে অস্ত্র কিংবা বন্দুক ব্যবহার করে না, বরং মানুষের মস্তিষ্কে ঢুকে নিয়ে যাচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ—স্মৃতি। আজকাল কলকাতার রাস্তায় হেঁটে বেড়ানো মানুষদের চোখে একটা আতঙ্ক স্থায়ী ছাপ ফেলে যাচ্ছে, কারণ কেউ…

  • Assamese

    চাহবাগিছনৰ ৰহস্য

    ৰূপম কলিতা উত্তৰ অসমৰ বিস্তীর্ণ চাহবাগানৰ পৰা পুৱা ৰোদৰ সোনালী কিৰণ বাগিচাৰ ওপৰত পৰিছিল। শীতল, সতেজ হাওঁৰে বাগিচাৰ বগা চাহৰ ফুলবোৰ নৃত্য কৰিব ধৰিছিল, আৰু সেউজীয়া পাতবোৰে সূৰ্যৰ পোহৰত উজ্জ্বল আৰু চকুত লগা ৰূপ লৈছিল। এই সৌন্দৰ্য্যই যেন নতুন মেনেজাৰ অর্ঘ্য বৰাক স্বাগতম জনাইছিল। অর্ঘ্য এজন উদ্যমী, চকু মেলাৰ আগ্ৰহী আৰু পৰিস্থিতি চিনাক্ত কৰাত নিপুণ ব্যক্তি। বাগিচাৰ প্ৰৱেশমুখতেই কৰ্মচাৰী সকলে তেওঁৰ সৈতে পৰিচয় ঘটায়। প্ৰতিজন কৰ্মচাৰীয়ে নিজ নিজ নাম, দায়িত্ব আৰু বাগিচাৰ একাংশৰ বিবৰণ অর্ঘ্যৰ সৈতে ভাগ কৰি লয়। এয়া যেন নতুন মেনেজাৰৰ বাবে এক সজীৱ পৰিচয়ৰ সূচনা। তেওঁ লক্ষ্য কৰে যে কৰ্মচাৰী সকলে সদায় বাগিচাৰ একাংশৰ কথা বিশেষ ভাৱৰে…