সায়ন্তন কর সন্ধ্যার পর যখন ছায়া গাঢ় হতে থাকে, আর শহরের ধূলোমাখা রাস্তায় একের পর এক বাতাসের সোঁদা স্পর্শ হয়, তখন মা বারান্দায় বসে থাকেন। তাঁর চেহারা যেন শূন্য এক আর্তনাদ, চোখে জল নেই, শুধু একটি অভ্যাস গড়ে উঠেছে—অর্ণবের জন্য অপেক্ষা। দশ বছর আগে, অর্ণব ছোট্ট ছেলে, মা’কে বলেছিল,“বড় হবো মা, শহরে গিয়ে চাকরি করব। তোমার কষ্ট আর সহ্য হয় না।”তার মুখে ছিল প্রত্যয়ের ঝিলিক, মায়ের চোখে ছিল আশীর্বাদের মায়া। মা হাসি দিয়ে শুধু বলেছিলেন,“ঠিক আছে, কিন্তু দরজাটা খোলা রাখব রে। তুই ফিরবি একদিন।”এই কথাটা অর্ণব আজও মনে রেখেছে, মনে রেখেছে মা’র সেই দরজার কথা, যা সেদিন থেকেই খোলা রাখা…
-
-
Tanvi Iyer Chapter 1: Arrival & Munnar’s Tea Gardens The winding road through Kerala’s Western Ghats unfolded like a lush green ribbon beneath the soft morning mist. Rohan leaned slightly out of the car window, breathing in the cool, damp air tinged with the sweet fragrance of earth and tea leaves. The city chaos he’d left behind in Mumbai seemed like a distant memory now, replaced by the gentle murmur of nature awakening in the hills of Munnar. At 1600 meters above sea level, Munnar was a sanctuary of rolling tea plantations, winding rivers, and misty mountains that seemed to…
-
পর্ব ১ বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে। একটানা, নিরলস। ছাদের টিনে পড়ছে টুপটাপ, জানলার পাশে পেতলের ঘণ্টার মত ঝিকিয়ে উঠছে শব্দগুলো। রূপা চুপচাপ বসে আছে বারান্দার এক কোণে, চায়ের কাপ হাতে। ঠোঁট ছুঁয়ে থাকা কাপের গায়ে ধোঁয়া ওঠা ফাটল দেখা যাচ্ছে, যেমন ফাটল দেখা দেয় সম্পর্কেও—মাঝেমধ্যে চুপিসারে, না-বলা কিছু জমানো কথা জমে জমে। রূপার বয়স এখন ছত্রিশ। আট বছর হল বিয়ে হয়েছে রতনের সঙ্গে। ছেলে নেই, মেয়ে নেই, সংসারটা চলে যায় দিনের পর দিন, ফেসবুক স্ক্রল আর ওটিটির গ্লানি নিয়ে। রতনের ভালোবাসায় কোনো অভাব নেই, তবু কোথায় যেন কিছু অনুপস্থিত—কথার গভীরে, চোখের ভাষায়, কিংবা ছুঁয়ে দেওয়ার ব্যাকরণে। আজ দুপুরে, সেই একঘেয়ে স্ক্রলের…
-
रीनी शर्मा दिल्ली का जनवरी महीने का मौसम था। हल्की ठंड, कोहरे की चादर और भीड़-भाड़ से भरी सड़कें। हर इंसान जैसे किसी अदृश्य घड़ी की सुई के पीछे दौड़ रहा था—बिना रुके, बिना पूछे कि ये दौड़ किसके लिए है? इन्हीं लाखों चेहरों में एक चेहरा था अर्जुन मेहरा का—32 वर्षीय, सॉफ्टवेयर कंपनी में काम करने वाला एक सामान्य कर्मचारी। हाइट 5’10”, छरहरा शरीर, हल्की दाढ़ी, आँखों में थकान और मन में एक स्थायी बेचैनी। हर दिन उसकी ज़िंदगी का रूटीन घड़ी की सुई से बंधा था—सुबह 7 बजे उठना, 8 बजे मेट्रो पकड़ना, 9 बजे ऑफिस पहुँचना, 12…
-
নন্দন বৰা ধেমাজিৰ সেউজীয়া পথাৰকেইটাই চাৰিওফালে বিস্তৃত হৈ থকা, সৰহজোপা গছপুলিৰ মাজত বসতি এখন — চাপৰি গাঁও। যেন বগলীৰ পাখি মেলি থকা এখন শান্ত ভূমি। সিহঁতৰ গাঁওখনৰ পৰা দুটাকৈ পাহাৰ দেখা যায় — ওচৰৰ খাসিয়া পাহাৰখনৰ গছপুলিয়ে তলফালে পাহাৰটোলৈ বোকা বাট দাঙি দিয়ে। পুৱা গধূলি সেউজীয়া ধানখেতিৰ ওপৰত কুঁৱলীয়াৰ চাদৰ পৰে, পুখুৰীৰ পানীত বক বগলী আহি দাঁতিত বহে, শীতল বতাহে বুকুত সুৰৰ দৰে বাজে। আৰু সেই পুখুৰীৰ কাষত আছিল এখন গছ — সৰু নহয়, ডাঠ ডালৰ, ডাঙৰ বুকুৰ এখন বগলীডাল গছ। এই গছখনৰ তলতেই বুবুৰ শৈশৱৰ পাতত পাতত সপোন ৰোপা হৈছিল। বুবু — প্ৰকৃত নাম সুবোধ কুমাৰ দত্ত, কিন্তু গাঁৱত…
-
தேஜஸ் அருள்மொழி சென்னை மெரினா கடற்கரையின் மெல்லிய மழைபொழிந்த மாலை. கடல் அலைகள் இசைப்பது போல ஒலிக்க, நகரத்தின் ஒலிகளும் மெதுவாக மங்கிக் கொண்டிருந்தன. அந்தக் காட்சியின் நடுவில், ஒரு இளம்பெண் நிசப்தமாக நின்றுக் கொண்டிருந்தாள். அவளின் பெயர் அனிதா. ஒரு கவிஞியாகவும், வாசகராகவும், வாழ்க்கையை வித்தியாசமான கோணத்தில் பார்க்க விரும்பும் ஒருத்தியாகவும் இருந்தாள். கவிதை அவளுக்குப் பேச முடியாத உணர்வுகளுக்கு வார்த்தைகளை கொடுக்கும் ஓர் அருமை கருவி. அனிதா அந்த நாளில் தனியாகவே வந்திருந்தாள். வாழ்க்கை எப்போதும் பரபரப்பாகத்தான் ஓடிக்கொண்டும் இருந்தது. ஆனால், அந்த மாலை, அவளுக்குள் ஒரு விசித்திரமான அமைதி குடியேறி இருந்தது. காற்றில் அடிக்கடி மரகத்துப் பசுமை வாசனை. கடலில் வண்ணத்துப்பூச்சிகள் இல்லையென்றாலும், அந்தப் பெருமூச்சு வார்த்தையற்ற கவிதையை உணர்த்தியது. அதே நேரத்தில், கடற்கரை வாசலில் இருந்து ஒரு இளம் ஆணும் நுழைந்தார். கையில் DSLR கேமரா. விலையும் நேரமும் பொருட்படுத்தாமல் புகைப்படங்களை பிடிக்கும் ஆர்வம் அவனுக்கு…
-
ঈশিতা সেনগুপ্ত জানলার ওপারে কলকাতার উত্তরের এক পুরনো পাড়ায়, লাল ইটের তিনতলা বাড়িটা বহু দিনের সাক্ষী। উঠোনজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পুরনো ফুলদানি, জং ধরা বাইসাইকেল, আর সবথেকে দৃষ্টিনন্দন—একটা ঘন পাতা কদমগাছ। সেই গাছের নিচে প্রতিদিন সকালে বসে এক ছেলেটা, তার কোলে একটা স্কেচবুক, হাতে পেন্সিল—নিস্তব্ধ ঘোরে ডুবে যায় নিজের আঁকায়। ছেলেটির নাম অয়ন। অয়নের জীবনের ছন্দ বড়ো একঘেয়ে ছিল। আঁকাআঁকি আর কদমগাছের নিচে বসে থাকা ছাড়া সে খুব একটা কারো সঙ্গে মেশে না। পড়াশোনার দিন পেরিয়ে, সে এখন ঘরে বসেই গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করে। পাড়ায় বহুদিনের বাসিন্দা, তাই কারও চোখে নতুন নয়। তবে হঠাৎ করেই সব বদলে গেল, যেদিন জানালায় সে…
-
Anjali Reddi Chapter 1: Maya Sharma hated mornings. Not in the poetic, “oh I need coffee before I can function” way people posted on Instagram. No, she actually hated mornings—because mornings meant meetings, meetings meant people, and people meant expectations. And expectations were just heartbreak in PowerPoint form. Her alarm blared at 7:30 AM sharp—set to an aggressive tabla remix that could probably revive the dead. She sat up on her bed in her neat Indiranagar apartment, looked out at the half-sunny, half-smoggy Bengaluru sky, and groaned. “New day, new inbox full of garbage,” she muttered, grabbing her phone. Fifty-two…
-
Vivek Kumar Chapter 1: Shadows Over Mountabu The morning fog curled through the narrow streets of Mountabu like a living thing, thick and heavy, hiding the tall pine trees and crooked rooftops of the sleepy hill town. The sun hadn’t quite broken through the clouds, and the chill in the air carried the scent of damp earth, moss, and something… strange. A scream shattered the silence. People rushed toward the trail behind Hazelwood Inn, a quiet resort at the edge of the forest. Locals had often warned tourists not to venture too far in the mornings—mist played tricks on the…
-
Anjali Rao Chapter 1 It was nearly dusk when Esha Karekar received the call. She had been cataloguing Maratha-era letters at the Chhatrapati Shivaji Maharaj Vastu Sangrahalaya archives when her phone vibrated on the table. The number was unfamiliar, but the location read “Ratnagiri.” Something in her gut tightened. “Miss Karekar?” came the voice, low and formal. “This is Advocate Uday Keni, calling on behalf of the Ratnagiri District Court. I regret to inform you that your grandmother, Vasundhara Karekar, passed away three days ago.” Esha sat back in her chair. For a moment, all she heard was the faint…