Arjun Nair Part 1 – The Arrival The train screeched into Netarhat station just before dusk, scattering a few sleepy dogs off the tracks. Meera Joshi stepped down with her rucksack, adjusting her glasses against the thick blanket of humidity that clung to the air. She was thirty-two, a wildlife biologist with years of fieldwork behind her, yet this place carried a silence she had never felt before. The sal trees stretched in dark rows beyond the station, their shadows already deepening with the falling light, as if the forest had secrets it was unwilling to share with newcomers. A…
-
-
বাৰিষাৰ সুবাস বৰষুণৰ গন্ধত গোটেই জোৰহাট চহৰখন একেবাৰে নৱজীৱন পাই উঠিছিল। চাৰিওফালে ধোঁৱাৰ দৰে ওলোৱা মাটিৰ সুবাস, চাহবাগিচাৰ গাঢ় সবুজ পাতত টুপটাপকৈ পৰি থকা জোলাকৈ জোলাকৈ বিন্দুৰে গোটেই বতৰটো গম্ভীৰ আৰু শীতল হৈ পৰিছিল। লোকে তাড়াহুড়ি কৰি চেৰাই-চকুত আশ্ৰয় বিচাৰিছিল, কিমানক যে ভিজাই দিছিল সেই হঠাতে নামি অহা বৰষুণ। অৰুণী সেই বেলিকালত ঘৰৰ সামৰীয়া চেৰাত বহি আছিল। হাতত এজোপা খালি কপি আৰু এটা কালো কলম। লিখিবলৈ লৈছিল, কিন্তু শব্দবোৰ যেন সৰি গৈছিল। মাটিৰ গন্ধেৰে আৰু টিনৰ চালত টুপটাপ শব্দেৰে মনত এক অদ্ভুত খালীপনা জন্ম দিছিল। এতেই হঠাতে কাষৰ পথৰ পৰা আহিল এজন তেজপুৰীয়া যুৱক। উজনি ঢঙৰ শাৰাই, কাঁধত এটা ভিজা…
-
आधी रात का चाँद वाराणसी की गलियाँ वैसे तो दिन-रात लोगों से भरी रहती हैं लेकिन शाम होते ही उनमें एक अजीब-सी खामोशी उतर आती है, मानो सदियों पुरानी इमारतें खुद अपनी कहानियाँ सुनाने लगती हों। उन्हीं गलियों में रहती थी समीरा, उम्र मात्र बाईस, आँखों में अनगिनत राग और दिल में अधूरी ख्वाहिशों का कोलाहल। वह बनारस घराने की तालीम ले रही थी, सुबह की ठंडी हवा में उसका सुर और तानपुरे की गूँज मिलकर मोहल्ले का वातावरण बदल देती थी। लेकिन उसके भीतर हमेशा एक दुविधा रहती—क्या कभी वह अपने संगीत से पहचान बना पाएगी या परिवार की…
-
Nandini Rao Part 1: The Meeting The streets of Bangalore pulsed with monsoon chaos that evening, headlights blurred by sheets of rain, the smell of roasted corn mixing with the damp asphalt. Somewhere in Basavanagudi, the old temple had strung marigolds along its towering gopuram, orange and yellow flames bright against the grey sky. A small crowd was gathering for the annual festival. Amid the drizzle and the scattered stalls selling jasmine garlands, a few young women rehearsed under the portico of the temple, their anklets chiming, faces streaked with raindrops and stubborn determination. Meera Iyer stood at the center,…
-
সায়ন্তনী রায় কলকাতার গরম দুপুর। বহুতল অফিসের কাচঘেরা ঘরে এয়ারকন্ডিশনারের ঠান্ডা হাওয়া ঘুরে বেড়াচ্ছিল, কিন্তু ঋতিকা যেন ভেতরে ভেতরে গলতে থাকল। দিনভর প্রেজেন্টেশন আর রিপোর্টের ভিড়ে মাথা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল তার। ডেস্কে বসে থেকে জানালার বাইরে তাকিয়ে যতবার চোখ গেছে, ততবার মনে হয়েছে শহরটা যেন এক অবিরাম দৌড়ের ভিতর আটকে আছে। মানুষ ছুটছে, গাড়ি ছুটছে, আলো ছুটছে—শুধু তার ভেতরটায় থমকে আছে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। সেদিন অফিস থেকে বেরোতেই বৃষ্টি নামল হঠাৎ। একেবারে ঝমঝমে বর্ষণ। ছাতা ছিল না সঙ্গে, ফলে বারান্দার শেডের নিচে দাঁড়িয়ে সে ফোন বের করে ট্যাক্সি বুক করতে চাইলো। তখনই চোখে পড়ল এক চেনা মুখ—অভিষেক। বহুদিন আগের পরিচিত,…
-
चन्दन पांडेय १ पुराने मोहल्ले की गलियाँ वैसे ही तंग और भीड़भाड़ से भरी थीं, जैसे किसी इतिहास की किताब का पीला पड़ चुका पन्ना। मकान मालिक शर्मा जी का घर भी उन जर्जर दीवारों के बीच एक ऐसा ही मकान था, जिसकी छत से सीलन की गंध आती थी और दीवारों पर पिछली बरसात के निशान अब भी जिद्दी दाग़ बनकर चिपके थे। मोहल्ले में सबको पता था कि शर्मा जी किराएदारों को लेकर बहुत सख़्त स्वभाव के हैं—“समय पर किराया दो और चैन से रहो” उनका नियम था। लेकिन मोहल्ले के नुक्कड़ पर उस दिन जब एक दुबली-पतली…
-
অন্তরা মান্না অধ্যায় ১ – মায়ার জীবন, বাইরের চোখে, এক নিখুঁত শান্তির গল্পের মতো মনে হয়। সকালে উঠে রিয়াদের সঙ্গে চায়ের কাপ ভাগ করে নেওয়া, রাস্তার ধারের ছোট্ট ফুলের দোকান থেকে রঙিন ফুল আনা, এবং বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে হালকা আড্ডা—সবকিছু যেন একটি সুন্দর ছন্দে বাঁধা। মায়া মনে করত, এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই তার জীবনের আসল সম্পদ। রিয়াদের হাসি, তার কোমল স্পর্শ, এমনকি তার ক্ষুদ্র অভ্যাসগুলোও—যেমন বইয়ের পাতায় আঙুল রেখে পড়া, কফি খাওয়ার ধরণ—সবই মায়ার মনে একধরনের উষ্ণতা সৃষ্টি করত। তারা দুজনেই একে অপরের মেলবন্ধনে গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল, এমনকি দিনের শেষে নিঃশব্দে একে অপরের হাত ধরার অভ্যাসও মায়াকে অদ্ভুত সান্ত্বনা দিত।…
-
হিমাদ্ৰী ঘোষ ১ মানিক ছিল ছোট্ট এক গ্রামীণ ছেলেবেলা থেকে দুষ্টু আর কৌতূহলী, তবে তার দুষ্টুমির রূপটা অন্যরকম। যখন অন্য বাচ্চারা মাঠে ঘুড়ি ওড়াতো কিংবা নদীর ঘাটে সাঁতার কাটতো, তখন মানিক অচেনা এক জগতে ডুবে থাকতো। সে ভাঙা রেডিওর ভেতর থেকে লাল-সবুজ রঙের তার টেনে বের করতো, পুরোনো ফ্যানের মরিচা ধরা পাখা খুলে এনে হাতে ঘোরাতো, কিংবা ফেলে দেওয়া ব্যাটারির ভেতরের কালো পেস্ট নিয়ে পরীক্ষা করতো। তার চোখে এগুলো নষ্ট জিনিস নয়, বরং একেকটা অজানা খেলার মাঠ। বাবা ছিলেন গ্রামে লোহার কাজের কারিগর, তার হাতের যন্ত্রপাতি অনেক সময় চুপিচুপি নিয়ে গিয়ে মানিক নিজের খেলায় ব্যবহার করতো। মা খেতে কাজ করতেন,…
-
সুচেতা মিত্র অধ্যায় ১ – আগমন শহরের কোলাহল, ধোঁয়া আর ব্যস্ত রাস্তাগুলো পেরিয়ে যখন বাসটা পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথে উঠতে শুরু করল, তিতলির বুক ভরে উঠল এক অদ্ভুত অনুভূতিতে। জানালার কাচে ঠেস দিয়ে বসা সে এতদিন যেভাবে উঁচু দালান আর গাড়ির ভিড়ের মধ্যে ডুবে থেকেছে, সেভাবে যেন এই প্রকৃতির রঙে নিজেকে কখনও মেলাতে পারেনি। পাহাড়ের গা বেয়ে উঠে আসা কুয়াশা, মাঝেমধ্যেই চোখে পড়া ছোট ছোট টিনের চালওয়ালা ঘর, আর দূরে ভেসে আসা ঝর্ণার শব্দ তাকে এক অচেনা নেশায় ভরিয়ে তুলছিল। তার মনে হচ্ছিল, যেন প্রতিটি বাঁক ঘুরতেই নতুন কোনো পৃথিবী অপেক্ষা করছে, যেখানে নেই শহরের চাপা অস্থিরতা, নেই অফিসে বসে কাটানো…
-
এক গ্রামের দক্ষিণ প্রান্তে, বাঁশঝাড়ের আড়ালে এক বিস্মৃত কূপ বহুদিন ধরে অচল পড়ে আছে। সময়ের ভারে তার ইটগুলো ভেঙেচুরে এক অদ্ভুত শৈবাল-ঢাকা রূপ নিয়েছে, যেন প্রকৃতি নিজেই কূপটিকে ঢেকে রাখতে চায়। চারপাশে গজিয়ে ওঠা কাঁটাঝোপ, শুকনো ডালপালা আর বনলতা মিলেমিশে এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে দিনের আলোও প্রবেশ করতে চায় না। গ্রামের শিশুরা দূর থেকে কূপটিকে দেখে আঁতকে ওঠে, আর বয়স্করা ভয়ে নামও মুখে আনে না। শোনা যায়, একসময় এ কূপই ছিল গ্রামের প্রধান পানির উৎস। মানুষজন প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা জল তুলতে আসত, কূপপাড়ে হাসি-ঠাট্টার আসর বসত। কিন্তু প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে এক ভয়াবহ ঘটনার পর হঠাৎ করেই কূপটি অশুভের প্রতীক…