सिया वर्मा भाग 1: DM से Destiny तक “Poetry is dead, bro,” अर्जुन ने कहा और अपने लैपटॉप का स्क्रीन बंद कर दिया। “Then why are you still liking sad quotes at 2AM?” समृद्धि ने चुटकी ली और उसके हाथ से फोन छीन लिया। वो दोनों Instagram के एक ऑनलाइन पोएट्री लाइव सेशन पर मिले थे—एक accidental like ने चैट की शुरुआत करवाई थी। समृद्धि, Delhi University की final year की student थी, psychology major, और poems लिखने का जुनून उसकी insomnia की सबसे प्यारी दोस्त बन चुका था। आर्यन, एक Mumbai वाला introvert था, जो ज़्यादा बोलता नहीं था…
-
-
অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী মফস্বলের স্টেশনের নামটা যতই নিস্প্রভ হোক, বিকেলের শেষ আলোয় যখন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো ছেলেটার চোখে চোখ পড়ে মেয়েটার, তখন যেন চারপাশের সব শব্দ থেমে যায়। নাম তার অরিত্র। পুজোর পর শহরের বাইরে প্রথমবার এসে দাঁড়িয়েছে চাঁদপুর স্টেশনে। একটা চাকরির সাক্ষাৎকার, একটা নতুন জীবনের আশ্বাস। আর তাতেই যাত্রীদের হঠাৎ ভিড় ঠেলে আলতা-লাল সালোয়ারে একটা মেয়ে চলে এলো ঠিক তার সামনে। মেয়েটার নাম—মালবিকা। “এই যে, আপনি কি হোস্টেলটা খুঁজছেন?” প্রথম কথা। অরিত্র একটু হকচকিয়ে গিয়ে হ্যাঁ বলল। “চলুন, আমিও সেদিকেই যাচ্ছি।” এইভাবেই শুরু। হেঁটে যেতে যেতে ওরা অনেক কথা বলল—ছোটখাটো। অরিত্র জানাল, সে কলকাতা থেকে এসেছে, সদ্য পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার। মালবিকা…
-
ঋদ্ধিমা বসুরায় পর্ব ১: সোমবার – দর্শন প্রেম ইরা সেনের ঘড়িটা তখন সকাল আটটা বাজাচ্ছে। দক্ষিণ কলকাতার সেই পুরোনো বাড়ির ছাদে নীল রোদ, আর রেলিং জুড়ে বসে আছে কয়েকটা কাক। সে সিলিং ফ্যানের নিচে বসে হাতের কাপে শেষ চুমুকটা নিচ্ছিল, আর মনে মনে ভাবছিল, আজকের চরিত্রটা কে হবে? সে জানে, প্রতিটা সোমবার তার হৃদয়ের দরজায় কড়া নাড়ে একজন—অর্ক।অর্ক কোনো সাধারণ মানুষ নয়। অন্তত ইরার চোখে সে দর্শনের প্রতিমূর্তি।তাঁর চোখে নিরাসক্তির ছায়া, ঠোঁটে আধা হাসি। সে ধূসর পাঞ্জাবি পরে ধীরে ধীরে হাঁটে। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে বলে,“জানো ইরা, অস্তিত্ব একটা চেনা ভুল। আমরা শুধু কল্পনায় আছি।”ইরা চুপ করে শুনে। উত্তর…
-
कविता राठौड़ भाग १: हवेली के द्वार पर अद्वैता के हाथ में कैमरा और बैग था, और दिल में एक अजीब सी उत्सुकता। दिल्ली विश्वविद्यालय में रिसर्च स्कॉलर थी वो—थीसिस का विषय था: “राजस्थान की लोककथाओं में भूत–प्रेत की उपस्थिति और उसका सामाजिक प्रभाव“। इस सिलसिले में वह पहुँची थी झुंझुनूं जिले के पास बसे एक छोटे से गाँव—आकनपुर। इस गाँव के बाहरी छोर पर स्थित थी—वो काली, विशाल, वीरान ठाकुर हवेली, जहाँ पिछली आधी सदी से कोई नहीं रहता। पर जहां हर रात दीयों की रौशनी और किसी औरत के रोने की आवाज़ आती थी—ऐसा गाँव वाले कहते थे।…
-
Madhumita Ray Chapter 1: The Trunk in the Attic The late March sun hung lazily over Shobhabazar, its amber glow falling across the shuttered windows of Anwesha’s ancestral home. The house, with its high ceilings, red oxide floors, and fading portraits, had been silent for years—like a tabla with loosened skin, still noble but mute. It had belonged to her grandfather, a man she barely remembered except through his letters—always inked in blue, always signed “Dadu.” Anwesha had returned from Mumbai after almost a decade, driven by equal parts nostalgia and necessity. Her mother’s sudden passing left the Shobhabazar house…
-
সোমশুভ্র লাহিড়ী পর্ব ১: জলের নীল স্পর্শ ট্রেনটা যখন ক্যানিং স্টেশনে থামে, তখন সকাল বেলা ঠিক ভালোভাবে জেগে উঠেছে। প্ল্যাটফর্মে ভীড় নেই, কেবল কিছু লোকাল চা-ওয়ালা, এক-দুজন মাছের কাঁধে ঝোলা নিয়ে নেমে পড়েছে। আমার ব্যাগ হালকা—তিন দিনের নৌকা-বিহারের জন্য যা লাগে, তাই সঙ্গে এনেছি। এই সফরটা একরকম পালানোর মতো। শহরের কোলাহল, ক্লান্তি আর নিয়ত বদলাতে থাকা সময়ের চাকা থেকে বেরিয়ে এসে কিছু নিঃশব্দের খোঁজে বেরিয়েছি। স্টেশন থেকে বেরিয়ে একটা ছোটো গাড়ি আমাকে নিয়ে যায় গোসাবার দিকে। রাস্তা পেরিয়ে যখন শেষ গ্রামটার ধারে পৌঁছলাম, তখন চারপাশে কেবল জল আর গাছের ছায়া। ছোট্ট একটা খেয়া নৌকা আমাকে পৌঁছে দিল জেটিতে, যেখানে আমার…
-
Rudra Ahuja Chapter 1: The Pen in the Attic It was the last stall at the farthest corner of Daryaganj Sunday Book Bazaar—the kind of place where stories go to retire. Beneath yellowing tarpaulin sheets and towers of old files, Neil Das spotted a flicker of brass. He had walked this market a hundred times before. But this morning, the damp October air had pulled him toward the stall like a tug on a forgotten thread. A wrinkled shopkeeper sat cross-legged amidst dusty encyclopedias and cracked leather briefcases. Neil’s eyes drifted past the usual—old college yearbooks, British-era maps, a few…
-
ঈশান দত্ত পর্ব ১: জানলার ধারে বসে নিউ জলপাইগুড়ির শালবন ঘেরা রেল কোয়ার্টার পাড়ার ঠিক পেছনে ছিল এক পুরনো ইংরেজ আমলের স্কুল—”নিউ জলপাইগুড়ি বয়েজ হাই স্কুল”। সেই স্কুলের দশম শ্রেণির ‘বি’ সেকশনের শেষ বেঞ্চে বসত পাঁচজন—সোহম, তন্ময়, রিমঝিম, অরিত্র আর সঞ্জনা। সবার মধ্যে কিছুটা যেন ছন্দে গাঁথা বন্ধুত্ব ছিল, আর তার মধ্যেই লুকিয়ে ছিল প্রেম, অভিমান আর একটা কাঁচা উত্তেজনা। সোহম আর তন্ময়—শৈশবের বন্ধু। একসঙ্গে হিউম্যানিটিজ নিয়েছে। ক্লাসে সবসময় তৃতীয় বা চতুর্থ রোল নম্বরেই থাকে, কিন্তু পড়াশোনায় তেমন মন নেই। সোহমের চোখের কোণ সবসময় সঞ্জনাকে খোঁজে, আর তন্ময় সেটা জানলেও কিছু বলে না। তন্ময়ের মন পড়ে থাকে নীল আকাশে, সেও…
-
ঋদ্ধিমান দাশ পর্ব ১: কাগজের পাতা, ধোঁয়ার রেখা ক্যাফে কুয়াশার দরজায় টাঙ্গানো পুরনো ঝোলানো ঘণ্টাটা বাজল, আরোহী ঢুকল ধীরে, একহাতে ব্যাগ, অন্য হাতে ফোন। অফিস থেকে সরাসরি আসছে, মাথাটা কেমন যেন ভারী, দিনের ঝাপসা ক্লান্তি তাকে গিলে খেতে চাইছে। কিন্তু এই ক্যাফেটার ভেতরটা যেন অন্যরকম—জানলার কাচ দিয়ে বিকেলের আলো এসে পড়ছে সোনালি ছায়ায়, দেওয়ালে ঝোলানো বইয়ের কভার আর পুরনো বাংলা গানের পোস্টার। তার প্রিয় টেবিলটা—ডান দিকের কোণারটা—আজ খালি। সে বসে, ব্যাগটা পাশে রাখে। ওয়েটার রাজু এসে জানতে চায়, “দিদি, এক কাপ স্পেশাল দার্জিলিং আর কালচার্ড বিস্কুট দেব?” “হ্যাঁ, আর একটা গরম জল দিও, মাথা ধরেছে,” বলে সে, চোখ বন্ধ করে…
-
অৰ্ক দত্ত তেজপুৰ চহৰৰ ৰামানন্দ চন্দ্ৰ কলেজখনৰ পৰা ওলাই অহাৰ বেলিকা আছিল। বেলিকা মানে বহুতবোৰ অনুভৱৰ লগত ওলাই অহা এটি সময়—যি সময়ত বতাহৰ ধাৰণাটো সলনি হৈ পৰে, ৰঙ বেয়া কৰি পৰে আকাশে, আৰু ৰিতুপৰ্ণাৰ বুকুত কোনোবাই নামহীন অনুভৱ এটি পেলাই দিয়ে। আজি কলেজৰ ফাইন আৰ্টছ ডিপাৰ্টমেন্টৰ এগজিবিশন আছিল—এইবছৰৰ ছাত্ৰ-ছাত্ৰীৰ আঁকা ছবি, স্কেচ, জলৰঙ, তৈলচিত্ৰ, আৰু কিছুমান অভাবনীয় ধ্যানধাৰণা। ৰিতুপৰ্ণা ইংৰাজী বিভাগৰ ছাত্ৰী, কিন্তু কেতিয়াবা কেতিয়াবা এই ধৰণৰ শিল্পৰ মাজলৈ টানি নিয়া যেন এটা গোপন শক্তি থাকে, যি সকলো যুক্তিক পৰাস্ত কৰি কিবা এটা ক’ব বিচাৰে। তেওঁ প্ৰstellung হ’ল ছবিবোৰৰ মাজেৰে, হাতত এটা কফিৰ কাপ—যিটো বহুত ঠাণ্ডা হৈ পৰিছে এতিয়া, কিন্তু…