Tushar Deb 1 The night train rumbled through the sleepy heart of Bihar, its windows reflecting the ghostly blue of an almost-full moon. The Guwahati–Delhi Express was known for its long, uneventful journey through forests, fields, and forgotten towns, but no one paid attention to one particular stop: Dharmapur Junction. It wasn’t printed on any timetable. There were no signboards, no platform lights—just an old concrete slab, shrouded by neem trees and thick fog, where the train inexplicably paused for sixteen minutes every single year on the same day. On that cold February night, passengers were either snoring under woolen…
-
-
পবিত্র মুখার্জী অধ্যায় ১: কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত আর্ট গ্যালারি “চিত্রমন্দির”-এ সে বিকেলে অদ্ভুত একটা ভারী বাতাস ছিল—যেন মেঘ জমেছে, অথচ আকাশ ছিল পরিষ্কার। গ্যালারির দেয়ালে টাঙানো চিত্রশিল্পী অমিয় গুহর আঁকা ক্যানভাসগুলো নিয়ে দর্শক-সমালোচকরা চুপচাপ ঘুরে বেড়াচ্ছিল, কেউ কেউ মোবাইলে ছবি তুলছিল, কেউ বা ফিসফিস করে বলছিল, “অমিয় দার পরিণত ছবিতে এবার কিছু একটা অদ্ভুত আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।” অমিয় নিজে এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিল, তার কাঁধে ঝুলছিল মাটির রঙের একটি ব্যাগ, আর চোখ চলছিল এক দেয়াল থেকে অন্য দেয়ালে—নিজেরই আঁকা ছবি যেন তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এখন সম্পূর্ণ অন্য সত্তা ধারণ করেছে। ঠিক সেই সময় সে থমকে দাঁড়াল—দেয়ালের একদম শেষদিকে, খানিকটা…
-
শ্ৰীরূপা দে এক হিমালয়ের গায়ে বসে থাকা শহর পোখরায় পৌঁছানোর সময় অরিত্রর চোখে ছিল নিঃসঙ্গতা, আর মীনাক্ষীর মুখে ছিল নিঃশব্দ ক্লান্তি—যেন তারা দু’জনই এই ভ্রমণটাকে জীবনের অপ্রকাশিত শূন্যতা থেকে সাময়িক মুক্তির পথ ভেবেছিল, কিন্তু কেউ কাউকে সেই সত্যি বলার প্রয়োজন বোধ করেনি। বিমানবন্দরের থেকে হোটেল অবধি ট্যাক্সিতে বসে তারা খুব কম কথা বলেছিল, কিছু দায়সারা মতন মন্তব্য—“আবহাওয়াটা ভালোই তো” কিংবা “ওই বরফ দেখা যাচ্ছে”—এর বেশি কিছু নয়। মীনাক্ষী জানালার দিকে মুখ করে বসেছিল, আর অরিত্র ফোনে মেইল চেক করছিল। তারা যে এখন একে অপরের থেকে কয়েক মাইল দূরের মানুষ হয়ে উঠেছে, সেটা তারা দুজনেই টের পায়, কিন্তু বলার ভাষা হারিয়ে…
-
শুভ্রনীল দত্ত পর্ব ১: ফিরে আসা বাড়িটার নাম মধুবন কোঠি হলেও সেখানে এখন আর মধু নেই, নেই কোঠির আভিজাত্য। কয়েক দশক আগেও যেখানে চিত্রশিল্পীরা আসতেন রং তুলিতে ধরতে তার সৌন্দর্য, এখন সেখানে কেবল ধুলো, ঝোপঝাড় আর খালি জানালার ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়া সময়। ঋদ্ধি মেট্রো থেকে নেমে টোটো ধরে পৌঁছাল গ্রামের মোড় পর্যন্ত। বাকিটা হেঁটেই যেতে হবে। এই বাড়িতে সে শেষ এসেছিল আট বছর বয়সে, দাদুর শ্রাদ্ধে। তারপর বাবা-মা বিদেশে চলে গেলে কলকাতায় মামাবাড়িতেই মানুষ হয়েছে। কিন্তু হৃদয়ের এক কোণে এই বাড়িটা যেন মায়ার মতন আটকে ছিল। “আপনি ওখানে যাচ্ছেন?”—টোটোচালক একটু থেমে বলেছিল, নাম শুনেই মুখ অন্ধকার। “হ্যাঁ, মধুবন কোঠি।…
-
ரம்யா சுந்தரேசன் 1 சென்னை கோடைக்காலத்தின் வெப்பம் நகரத்தை உருக்கிற மாதிரியே இருந்தது. தெருக்களில் சாலைகள் பதட்டமாக இருந்தன, பேருந்துகள் கூட தக்கபடி ஓடாத நிலை. அந்நிலையிலும், லலிதா என்ற புகைப்படக்கலைஞர், தனது பழைய கேமராவை தூக்கிக்கொண்டு புதுப்பட்ட வேலைக்கு முதல் நாளாக கிளம்பினாள். அவள் செல்வது புரசாவிலுள்ள ஒரு சிறிய ஆடிடிங்க் ஸ்டூடியோ. வலைத்தளங்களுக்காக கலைப்படங்கள் எடுப்பது, குறும்படங்களுக்கு ஸ்டில்கள் ஷூட் செய்வது போன்ற வேலைகள் தான் அவளுக்கானவை. பஸ்ஸில் ஏறியவுடன், அவளுடைய பார்வை வழக்கம் போல் இடது பக்க சீட்டில் உட்கார்ந்திருந்த ஒரே ஒரே முகத்தை தேடியது. கடந்த மூன்று நாட்களாகவே அவளுடைய கவனத்தில் வந்திருந்த அந்த முகம், தினமும் அதே நேரத்தில், அதே பஸ்ஸில் ஏறுவது வழக்கம். அவனது பெயரைக் கூட தெரியாமல் இருந்தாலும், அவனது பார்வையிலிருந்த மென்மை, சிரிப்பில் இருந்த இசை, ஏதோ ஒரு இடத்தில் அவளை இழுத்தது. அவனது நாமம் ஆரவ் என்று பின்னர்…
-
Vivek Awasthi Part 1: The Filter Nobody Posted It all began with a shimmer—not in the sky, not in the water, but on Rhea Malhotra’s face, caught mid-selfie. She was seated on her bed, hair loose, sunlight filtering through the window, giving her skin a natural glow she wished she could bottle. She’d clicked dozens of photos that morning for her Instagram story—nothing out of the ordinary. But the last photo she took shimmered in a strange way the moment she applied a filter. She didn’t recall selecting it. In fact, she didn’t even recognize it. “Etherea_03,” it read, in…
-
Aisha Roy Plus-One Problems Tara Sen hated weddings. Not because she was bitter about love, not even because she couldn’t tolerate rasgullas anymore—she just couldn’t stand the interrogation squad that arrived with the haldi. Her mother’s sisters. Her father’s cousins. The “So-when-are-you-next-beta?” brigade. This time, it was her cousin Sia’s wedding in Jaipur. Three days. One palace hotel. Four aunties with sharp questions and sharper judgment. Tara had already survived two of these family extravaganzas this year, but her luck was running out. She had overheard her mother whispering to Mausi on speakerphone just last week, “This time I think…
-
सौरभ मेहता भाग १ शहर की उस पुरानी गली में जहाँ मकानों की छतें एक-दूसरे के कंधे पर टिकी होती हैं और गलियों की साँसें भी धीमी पड़ चुकी होती हैं, वहीं तीसरे नंबर का मकान सबसे चुप है। दीवारों की सीलन अब तस्वीरों के किनारों तक पहुँच चुकी है, और खिड़कियों से झाँकती धूप ऐसी लगती है मानो किसी ने अनजाने में दरारों के बीच से उजाला गिरा दिया हो। उसी मकान की दूसरी मंज़िल की एक खिड़की, दोपहर के ठीक बीच में खुलती थी—बिना आवाज़ के, बिना किसी आहट के। और उस खिड़की के पीछे बैठी थी—श्रीमती सावित्री…
-
ঈশিতা মল্লিক পর্ব ১ ঘড়িতে তখন ঠিক বারোটা। রোদটা ছিল না ঠিক চড়া, আবার ম্লানও না। একটা পাহাড়ি দুপুরের মধ্যে ঠিক যেমনটা আলোর আভা থাকে—নির্দিষ্ট কিছু নয়, নরম ছায়ার মতো। ঈরা জানালার কাঁচে কপাল ঠেকিয়ে বসে ছিল, গাড়ির প্রতিটা ঝাঁকুনি যেন তার বুকের ভেতরও কিছু একটা আলগা করে দিচ্ছিল। শিলিগুড়ি ছাড়িয়ে এখন পাহাড়ি রাস্তায় ঢুকে পড়েছে গাড়ি। সহযাত্রী দুজন—বাবা আর মৌদি—পেছনের সিটে ঘুমোচ্ছে, আর ঈরার হাতে ধরা নোটবুকের পাতায় শুধু একটা বাক্য লেখা: “এইবার পাহাড়ে শুধু মনটা নিয়ে যাবো, শরীরটা থাক না কোথাও গড়িয়ে।” ঈরার পাহাড়ে আসা নতুন নয়। স্কুলের সময় থেকে টানা আট বছরে সে পাহাড়ে এসেছে দশবার। কিন্তু…
-
অর্ঘ্য মৈত্র পর্ব ১: দোতলার জানালার ধারে বৃষ্টি পড়ছে টুপটাপ করে। জানালার পাশে বসে চুপচাপ শুনছি সেই শব্দগুলো, ঠিক যেমন করে শোনতাম ছোটবেলায়। সেই দোতলার ঘরটা, যেখানে একটা কাঠের টেবিল ছিল, তার ওপর সাদা কাপড়ে মোড়া একটা গোল ক্যালেন্ডার। জানালার ওপাশে ছিল বকুলগাছ, আর গাছের মাথায় লুকিয়ে থাকত বৃষ্টির ফোঁটাগুলো। আজকের দিনটা যেন সেই পুরোনো দিনের মতই, শুধু বদলে গেছে সময় আর শহর। মনে হচ্ছে, যেন আবার ফিরে গেছি দক্ষিণ কলোনির সেই ছোট্ট বাড়িটায়, যেখানে আমার ছেলেবেলা জমে ছিল একেকটা গল্পের মত। আমি অর্ঘ্য, জন্মেছিলাম এক শীতের সকালে। মা বলে, সেদিন খুব কুয়াশা ছিল, হাসপাতালের জানালা দিয়ে কিছুই দেখা যাচ্ছিল…