Nidhi Dikshit Chapter 1 It was a humid Tuesday morning in Pune, and the Dutta household was easing into its usual rhythm of post-breakfast inertia. In their modest 3BHK flat in Kothrud, Nana—Sudhir Dutta—sat cross-legged on his beige recliner, spectacles low on his nose, staring intensely at his smartphone. The television blared muted headlines in the background while the pressure cooker hissed from the kitchen. But Nana was engaged in a more critical national duty: circulating what he firmly believed was a “government scheme for Hindustan ke asli nagrik.” The image, a low-resolution JPEG full of typos and saffron borders,…
-
-
অনামিকা পোদ্দার এক বাড়ির উঠোনটা এখন আর আগের মতো নেই। আগের সেই লালমাটির ছোঁয়া, গোলপাতার ছায়ায় মেখে থাকা দুপুরগুলো যেন বহু আগেই হারিয়ে গেছে, আর আজকের এই কংক্রিট বাঁধানো বারান্দার ঠাণ্ডা ছায়ায় দাঁড়িয়ে লক্ষ্মীমণি দেবী যেন সেই সব দিনের অলিখিত স্মৃতিগুলো স্পর্শ করতে চায়। তাঁর হাতে ধরা একটা ছোট কাঁচের বাক্স, যার ভিতরে মোটা তুলোয় মোড়া সেই পুরনো সোনার নোলক। ছেলেবেলার দিনগুলোয় লক্ষ্মীমণি যেদিন প্রথম শ্বশুরবাড়িতে পা রেখেছিলেন, সেদিন শাশুড়িমা এই নোলকটি তাঁর নাকে পরিয়ে দিয়েছিলেন বলেছিলেন, “এইটা শুধুই অলংকার নয়, এইটা হইলো আমাদের ঘরের গৌরব, নারীর কৌলীন্য, সম্মান আর আত্মপরিচয়ের ছাপ।” আর সেই দিন থেকে শুরু করে অজস্র রাত্রি…
-
Sneha Chanda 1 Every evening around six-thirty, the city of Bangalore sighed under its own weight—horns honked like dissonant jazz, autos swerved with divine confidence, and a dusty orange sun drooped behind the concrete skyline. Priti, on her midnight-blue scooter, found herself once again halted at the same red light near Indiranagar, officially labelled Signal No. 47. It was a notorious pause point, where the signal stubbornly lingered for a full hundred and twenty seconds, enough for people to check their phones, vendors to sell corn-on-the-cob, and traffic to swell into a stubborn sea. For Priti, it had become a…
-
অমৃত কুমাৰ বৰা অধ্যায় ১: পূৰ্ণিমাৰ পোনপটিয়া শিৱসাগৰৰ ঠাণ্ডা বতাহত কঁপকঁপাই থকা ৰাজীব বৰা তেওঁৰ হালধীয়া নোটবুকখন বুকুত বান্ধি বাইকৰ হেণ্ডলটো আঁকোৰি ধৰে। সন্ধিয়াৰ মিচিকিয়াল পোহৰ খেদি তেওঁ “মণিকান্ত বাট” নামৰ এবিধ পুৰণি, আৱৰি পৰা ৰাস্তালৈ ওলাই আহে—য’ত মানুহে এতিয়া বেছি দিন পইচা-পইচা নাহে। তেওঁৰ কেমেৰা বেগখন ওজনত জোকাৰ খাই থাকে, যেন তাৰ ভিতৰত বহুবছৰৰ গোপন কথাৰে ভৰি পৰিছে। স্থানীয় সংবাদপত্ৰ ‘জনৰব’-ৰ হেডলাইনৰ বাবে তেওঁ এইঘৰলৈ আহিছে, যি ঘৰৰ বিষয়ে স্থানীয় লোকে কয়, “সেইটো ঘৰ! য’ত পূৰ্ণিমাত দেখা যায় মুণ্ড নথকা ছাঁ।” ৰাজীৱৰ ভিতৰত বিজ্ঞানৰ যুক্তিৰ দৰে আত্মবিশ্বাস আছিল, কিন্তু তেওঁৰ চকুত লুকাই থকা সৰু আশংকা এটাও আছিল—যদি লোকে কোৱা…
-
अनिकेत तिवारी सुबह की भीड़भाड़ भरी दिल्ली, उसकी चिल्ल-पों और भागती ज़िंदगी की आवाज़ें जब भी खिड़की से भीतर आतीं, आदित्य के मन में एक खालीपन भर देतीं। उसकी ग्यारहवीं मंज़िल की बालकनी से दिखाई देता था ट्रैफिक का रेंगता हुआ सर्प, जिसके बीच वो भी रोज़ अपनी कार में फँसा रहता—सोचता हुआ कि आखिर ये दौड़ क्यों है, किसलिए है, और वो इस दौड़ में क्या खो रहा है। उसने एक नामी मल्टीनेशनल कंपनी में सालों मेहनत की थी, कामयाबी की ऊँचाई पर था, हर महीने अच्छा खासा वेतन, स्टेटस, कार, ऑफिस कैबिन, सबकुछ था—सिवाय चैन के। उस सुबह,…
-
பாலாஜி செந்தில் கதை பெயர்: மழைதூவும் மலர் இயற்றி: பாலாஜி செந்தில் (பொருள்: “The Flower That Rains” – a Tamil folktale blending love, nature, and a village curse. Told across 9 continuous parts, each 1000 words, no section breaks.) பகுதி 1: மலைக்கோனும் மழையும் திருநிலா கிராமம். மேற்கு தொடர்ச்சிமலையின் அடிவாரத்தில் இருக்கின்ற அந்த சிற்றூர், ஒவ்வொரு ஆண்டும் புரட்டாசி மாதத்தில் மழை தொடங்கும் முன் ஒரு விசித்திர நிகழ்வு நடைபெறும். மூதாதையர்கள் சொல்வதுபோல், மழை பெய்ய ஆரம்பிக்கும் முதல் நாளில் ஒரு மலர், ஊருக்கே தெரியாமல் மலர்கிறது—ஆனால் அது எங்கே மலர்கிறது என்பது யாருக்கும் தெரியாது. அந்த மலரைப் பெற்றவனுக்கே அந்த வருடம் பாக்கியம் சூட்டும் என்றும், பெற தவறினால் ஊரே துன்பத்துக்கு ஆளாகும் என்றும் நம்பிக்கை. அந்த மலரின் பெயர் “மழைதூவும் மலர்.” இந்த வருடம் அந்த…
-
অসিত মল্লিক ১ শীতের প্রান্তে পৌঁছানো কলকাতা শহর একটু বেশিই নীরব হয়ে পড়ে ভোরের দিকে, বিশেষ করে উত্তর কলকাতার পুরনো লেনে—যেখানে দিনের বেলা হইচই করলেও, রাত গড়ালে শুধু হাওয়ার শব্দ আর পুরনো ঘরদোরের কঁকিয়ে ওঠা শোনা যায়। ঠিক তেমনই এক গলির শেষে দাঁড়িয়ে আছে মিত্র পরিবারের ঠাকুরবাড়ি—এককালে কলকাতার সমাজে যাদের নাম ছিল অতিশয় সম্মানের। আজ সেই বাড়ির দেওয়ালে স্যাঁতসেঁতে ছোপ, কার্নিশে কাকের বাসা, আর বন্ধ জানালার ফাঁকে ধুলোমাখা আলো ঢোকে। এই বাড়িতেই ফেরেন বিপ্রতীক মিত্র, বছর দশেক বিদেশে থাকার পর। শহরের সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে এক আন্তর্জাতিক হেরিটেজ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ফিরে এসে সিদ্ধান্ত নেন, ঠাকুরদার রেখে যাওয়া এই ভাঙাচোরা বাড়িটাই তাঁর…
-
Manav Chouhan Chapter 1: The Letter from Chowk The rain had barely stopped drumming against the windows when Meher Chaudhary found the envelope waiting on the windowsill of her Delhi studio, damp but intact, as though it had arrived with the storm itself. Its paper was of an oddly antique texture—off-white and fibrous, sealed with wax that bore an insignia she didn’t recognize. Her name was written in precise Devanagari script, the kind used in legal documents a century ago. Curious and mildly amused, she opened it, half-expecting an invitation to an art exhibition or a forgotten commission. But the…
-
आकाश वर्मा १ मुंबई की बारिशें जैसे पूरे शहर को धो डालती थीं, वैसे ही कभी-कभी मन के भीतर जमी गर्द भी बहा ले जाती थीं। लेकिन विवान मल्होत्रा के लिए, आज की शाम औरों से अलग थी—बाहर की बूंदों में तो लय थी, मगर उसके भीतर सुर गुम थे। वह अपने छोटे से अपार्टमेंट के कोने में बैठे हुए गिटार के तारों को हल्के से छेड़ता रहा, जैसे किसी खोए हुए एहसास को आवाज़ देने की कोशिश कर रहा हो। पिछले कुछ महीनों से उसकी ज़िंदगी एक अजीब-सी दोहरी लड़ाई में उलझी थी—एक तरफ़ अपने सपनों को सच करने…
-
ঐশী মুখার্জী পর্ব ১ কলকাতার দুপুরটা ছিল সেই রকম একটা দুপুর, যেটা চুলের গোড়া দিয়ে মাথা গরম করে দেয়। ফ্লাইওভারের নিচে বাস দাঁড়াতে দাঁড়াতে হাঁপিয়ে ওঠে, ছেলেমেয়েরা অফিসের জামা-প্যান্টের নিচে ঘেমে নেয়ে অস্থির হয়ে পড়ে। এমনি একটা দুপুরে রোদ্দুর প্রথম পা রাখে তার নতুন অফিসে—এই শহরের এক মাঝারি রকমের আইটি কোম্পানি, নাম ‘টেকমাইন্ড’। নতুন চাকরি, নতুন পরিবেশ, নতুন মুখ। রোদ্দুরের বয়স পঁচিশ, সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে প্র্যাকটিকাল লাইফে প্রবেশ করেছে। সে স্বপ্ন দেখে—অফিস মানে হবে বন্ধুত্ব, চা, হাসি, হয়তো কোথাও গিয়ে প্রেম। কিন্তু বাস্তব চুপচাপ থাকে। সকালটা গিয়েছিল ইন্ট্রোডাকশনের মাঝে, কেউ কারও দিকে তাকায়নি ঠিক করে, শুধু HR বলেছিল, “Meet…