சிவரஞ்சனி வெங்கடேஷ் 1 குடும்பத்தில் காலை உணவு வாடையுடன் எழும் நேரம். சாமிநாதன் வீட்டு பின்புற மரத்தில் குயில் கூவியதோடு, மேனாள் வெப்பம் பரவி கொண்டிருந்தது. அந்த வீட்டின் மூன்றாவது மகள் அச்வினி பசுமைத் தாவரங்களை தண்ணீர் ஊற்றிக்கொண்டே மனதில் ரிசுமேலையே திரும்பத் திரும்ப வாசித்துக் கொண்டிருந்தாள். “அம்மா, இன்னைக்கு நான் களஞ்சியத்துல போறேன். அலுவலக உதவியாளர் வேலையா வேணும்னு பேனர்ல போட்டிருந்தாங்க.” “ஆமா போ… ஆனா இந்த வேலையெல்லாம் உன்னோட படிப்பு ஸ்டாண்டர்டுக்கு சரியாடா!” சுமதியம்மாள் புளைத்த முகத்துடன் பதிலளித்தாள். “அம்மா, ஆறு மாதமா வேலையுக்கே விண்ணப்பிக்கிறேன். எல்லாம் ‘நீங்கள் தேர்வில் இடம்பெரவில்லை’ன்னு பதில். ஒவ்வொன்னும் மனசுல சின்னக் குத்து மாதிரி.” “எனக்கே தெரியும், நீ என்ன படிச்சு இருக்கேன்னு. ஆனா நம்ம நிலைமை என்ன. வீட்டு வாடகையா, அண்ணன் கல்லூரி கட்டணமா, ரம்யா கம்ப்யூட்டர் கிளாஸ். நம்ம அப்பாவோ நானூறு ரூபாய்க்கு கூட வேலை கிடைக்காதா. ஒவ்வொரு நாளும்…
-
-
অনিৰ্বাণ ধর ১ দক্ষিণ কলকাতার গলির এক কোণায় পুরনো বাড়ির নিচতলায় ছোট্ট একটা দোকান— নাম ‘কফি উইথ কল্পনা’। দোকানের বাইরে ছোট কাঠের বোর্ডে লেখা “Real Coffee. Unreal Thoughts.” দিনের বেলা দোকান খোলেই থাকে, কিন্তু বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে সেটির রূপ বদলায়। দুপুরের অফিসফেরত ক্লান্ত মুখগুলো ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যায়, শুধু কিছু নির্দিষ্ট মুখ থেকে যায়— যারা হয় তো বাস্তবের চেয়েও বেশি কিছু খোঁজে প্রতিটি কাপে। আর তারপর আসে রাত। ঠিক ৮:১৩-তে। দোকানের ভেতরে চারটে ছোট গোল টেবিল, দেয়ালে বইয়ের তাক, আর এক কোণে পুরনো রেকর্ড প্লেয়ার, যেটা সোমনাথ ঘোষ যত্ন করে সাজিয়ে রেখেছে। এই দোকান তার জীবন, তার স্বপ্ন,…
-
তন্ময় পাল ঘটনাটা শুরু হয়েছিল বর্ষার ঠিক আগের সময়ে, যখন আকাশ সারাদিন ধরেই ঝিম মেরে থাকে আর বাতাসে একটা ভিজে মাটির গন্ধ হালকা হালকা দোলা দেয়। আমি, শীর্ষ, তখন সদ্য কলেজে উঠেছি। আমার বাবা একজন পুরাতত্ত্ববিদ, মাটি খুঁড়ে ইতিহাসের হাড়গোড় জোগাড় করাই তার কাজ। সেবার বাবার এক বন্ধুর আমন্ত্রণে আমরা গেলাম নদিয়ার এক প্রত্যন্ত গ্রামে, নাম—চৌবাগান। গ্রামের শেষ প্রান্তে একটা ভাঙাচোরা খাজাঞ্চিঘর, যেখানে ব্রিটিশ আমলে নাকি রাজবাড়ির সম্পদ রক্ষিত থাকত। সেই ঘরটা নিয়েই যত রহস্য। আমরা যে বাড়িটায় উঠলাম, সেটা ছিল একটা পুরোনো বনেদি দোতলা, লাল ইটের দেয়াল, আর জংধরা লোহার দরজা। ঘরের চারদিকে ঘন অশ্বত্থ আর পাকুড় গাছ, আর…
-
अभिराज गुप्ता भोपाल की कोचिंग स्ट्रीट पर शाम ढलते ही भीड़ उमड़ने लगती है। सड़क के दोनों ओर कतार से लगे कोचिंग सेंटर्स से थके हुए छात्रों की भीड़ निकलती है, हाथों में बैग, आंखों में अधपकी नींद और मन में परीक्षा की चिंता। इन्हीं में एक लड़का हर शाम बिना चूके ठेले की एक विशेष गंध की तरफ खिंचता चला आता है। उसका नाम है वेदांत शर्मा। ग्वालियर से आया है, और कोचिंग के इस शहर में अपना इंजीनियरिंग का सपना लिए भटक रहा है। बाकी लड़कों से कुछ अलग है—भीड़ में होते हुए भी अलग-थलग, बातों में नहीं…
-
Part 1: The Caption That Shouldn’t Exist The bell rang for the last time that Friday afternoon, and the hallways of Lakemount High flooded with bodies—seniors hollering, juniors buzzing, lockers slamming shut like punctuation marks on a chaotic sentence. Avani Kapoor walked slower than most, her earbuds in, her playlist whispering solace. She didn’t need to rush. No one was waiting for her at the front gate. No one ever was. She stopped by the main office to pick up her copy of the senior yearbook, sliding her name onto the clipboard with practiced awkwardness. “One copy left, Kapoor,” said…
-
আয়নান তাসফিয়া পার্ট ১ — ধুনুচির ধোঁয়ার মধ্যে চান মিয়া নামে যে ফকিরটার কথা বলে পুরো বরিশালের ময়না ইউনিয়ন, সে এই গ্রামে এসেছিল বছর দশেক আগে, হাটের একেবারে পাশের খালি জমিতে একটা মাটির ঘর বানিয়ে। গা ঢাকা শাদা পাঞ্জাবি, চোখে কাঁচের ফ্রেমের মোটা চশমা, আর হাতে একখানা কাঠের লাঠি। গ্রামের লোক প্রথমে ভেবেছিল কোনো পাগল এসেছে, হয়তো শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া কেউ, বা শ্মশানে ঘুরে বেড়ানো অদ্ভুত লোকদের একজন। কিন্তু খুব দ্রুতই মানুষের ধারণা বদলে গেল। শুরুটা হয়েছিল এক রাতে। হাটের পাশের কুয়োর জলে সাপ পড়ে গিয়েছিল, আর গ্রামের কেউই সাহস পাচ্ছিল না উঠাতে। তখনই চান ফকির ধুনুচি জ্বালিয়ে, মাটি…
-
सोनल शर्मा पहली रात बसेरिया में प्राची मिश्रा की कार धूल उड़ाती हुई जब बसेरिया गांव के छोर पर पहुँची, तब शाम के साढ़े पाँच बज रहे थे। चारों ओर पीली रोशनी में नहाया खेत, सूखी घास की सरसराहट और दूर कहीं पीपल के पेड़ पर बैठे कौवे की कांव-कांव। उसने कार से उतरते हुए कैमरा और बैग उठाया, मोबाइल की लो बैटरी का नोटिफिकेशन नजरअंदाज़ किया, और अपनी डायरी जेब में खिसका ली। दिल्ली से करीब आठ घंटे की दूरी पर स्थित बसेरिया अब बस एक नाम भर रह गया था। कभी गुलजार रहा ये गांव अब जैसे साँसें…
-
ঋতুপর্ণা চৌধুরী শান্তিনিকেতনের পথচলা রুদ্রর হাত থেকে নোটবুকটা প্রায় খসে যাচ্ছিল, বাইক থেকে নামার সময়। শান্তিনিকেতনের হেমন্তের রোদ যেন কাগজের পাতার উপর কবিতার মতো পড়ছিল। কলকাতা থেকে পালিয়ে আসার পর প্রথমবার মনে হচ্ছিল, বেঁচে আছে। রাস্তার ধারে তাল গাছের সারি, লাল মাটি, আর ভোরের মিষ্টি শীত—সব মিলিয়ে একটা পুরনো কবিতা মনে হচ্ছিল চারপাশটা। “তুই আবার কবিতা লিখতে এলি, না পালাতে?”—প্রশ্নটা বাবার কণ্ঠে এখনো মাথার মধ্যে বাজছে। রুদ্র কিছু বলেনি, শুধু বলেছিল, “একটু সময় দে, নিজেকে খুঁজে নিচ্ছি।” কলকাতার ঘিঞ্জি ফ্ল্যাট, মা’র গুমরে রাখা কান্না, বাবার ভ্রুকুটি—এসব থেকে পালিয়ে এখানে এসেই যেন আবার শ্বাস নিতে পারছে সে। রুদ্র থাকছে শান্তিনিকেতনের…
-
Aditi Roy Sharma 1 Samar Ghosh stared blankly at the glowing screen of his laptop, its harsh blue light reflecting off his glasses as the world outside his hostel window drifted into silence. The ceiling fan above creaked lazily, slicing through the thick summer night air of the campus. Around him, the room was cluttered with open textbooks, crumpled notes, and half-finished instant noodles—a portrait of academic exhaustion. But it wasn’t the unfinished code on his terminal or the pending assignments that held his attention tonight. It was the crushing weight of falling behind. Once hailed as a prodigy from…
-
অরিত্র বসু ১ প্রাগের হিমেল সন্ধ্যায়, কার্ল ব্রিজের নীচে দাঁড়িয়ে এক তরুণী তার হাতের মোবাইলটা বন্ধ করে পকেটে ঢুকিয়ে দিল। তার নাম লায়লা সেন, কলকাতা থেকে ইউরোপে স্কলারশিপে পড়তে আসা, কিন্তু এখন সে আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নয়—সে একজন পালিয়ে বেড়ানো মানুষ, যার হাতে আছে এক রহস্যময় কোড, যা পুরো ইউরোপের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলতে পারে। এই কোডটি তার কাছে এসেছে তার প্রাক্তন প্রেমিক মার্টিনের মাধ্যমে, যে ছিল এক হ্যাক্টিভিস্ট, NSA আর EU-র ডিজিটাল ফায়ারওয়ালের মাঝে লুকিয়ে থাকা এক ভূতের মতো অস্তিত্ব। লায়লার চোখে আজ সন্ধ্যার আলো যেন আরও ঘোলাটে, যেন বাতাসে মিলিয়ে আছে রক্ত আর বিশ্বাসঘাতকতার গন্ধ। চার…