• Bangla - প্রেমের গল্প

    ইনবক্সে প্রেম

    অহনা মিত্র পর্ব ১: “হ্যালো মানেই কি শুরু?” ইনস্টাগ্রামের নীল-সাদা ইন্টারফেসটা যেন নীল আকাশের মতোই অচেনা। কিন্তু সেই আকাশেই একদিন একটা মেঘ ভেসে আসে যার নাম ScribbledSoul77—একটা স্টোরিতে হঠাৎ রিপ্লাই: “তোমার প্লেলিস্ট অসাধারণ।” ততদিনে সোহিনী তার কলেজ লাইফের একঘেয়ে গল্পগুলো ইনস্টার স্টোরিতে সুরে বাঁধা শুরু করেছে—আর সেইদিন স্টোরিতে ছিল পিন ব্যাকের “Autumn Tree”। সেই হ্যালোটা আর দশটা ইনস্টা চ্যাটের মতো সাধারণ ছিল না। কারণ হ্যালোয়ের পরেই ছিল একটা গানের লিঙ্ক—Cold/Mess। ছেলেটার নাম ছিল ঋভু। একঝলকে প্রোফাইলটা খুব স্পষ্ট কিছু বলে না—একটা বইয়ের ছবি, কয়েকটা মিম আর ঢাউস ক্যাপশন ছাড়া—“Mostly offline. Online only for music and madness.” অথচ ওই মেসেজেই ছিল…

  • Bangla - রহস্য গল্প

    জাদুকরের খুন

    সায়ন্তিকা দাশগুপ্ত অধ্যায় ১: শেষ কৌশলের রাত স্টার থিয়েটারের আলো নিভে যাওয়ার মুহূর্তেই সবার নিঃশ্বাস যেন আটকে গিয়েছিল। কলকাতার থিয়েটার-প্রেমীরা বহুদিন পর আবার এমন চমকপ্রদ কিছু প্রত্যক্ষ করতে যাচ্ছেন—রাজদীপ মুখার্জির “শেষ কৌশল”। থিয়েটারজুড়ে স্তব্ধতা। পর্দা ধীরে ধীরে উঠে যাচ্ছে, ঘন কালো ধোঁয়ার মধ্যে থেকে উদিত হচ্ছে সোনালী আলো, তার মাঝে একা দাঁড়িয়ে আছেন রাজদীপ—তার মুখাবয়বে এক রহস্যময় আত্মবিশ্বাস, গলায় কোটের কলার তুলে। হাতজোড়া তুলে বললেন, “এই কৌশল দেখার পর যদি কেউ বলতে পারেন কীভাবে করলাম, আমি আমার ম্যাজিক ছাড়বো। আর যদি না পারেন, তবে আজ আপনারা দেখবেন… মৃত্যু থেকে ফেরা যায় কি না!” দর্শকদের ভেতরে কেমন যেন এক অজানা কাঁপুনি…

  • Bangla - নারীবিষয়ক গল্প - ভূতের গল্প - সামাজিক গল্প

    দেবী

    প্রজ্ঞা সেনগুপ্ত এক সূর্য তখন পাহাড়ের আড়ালে গিয়ে অস্ত যাওয়ার প্রস্তুতিতে, আকাশে ছড়িয়ে পড়েছে কমলা রঙের ছায়া। গ্রামের শেষপ্রান্তের কাঁচা রাস্তাগুলো ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে আসছে। গরু-বাছুর ফিরেছে খুঁটির কাছে, ধোঁয়া উঠেছে রান্নার চুলায়। এমন সময় একটা ছায়ামূর্তি—কোনওমতে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে, কাপড় ছেঁড়া, হাঁটা কাঁপা কাঁপা। তার মুখটা ঢাকা, কিন্তু চোখের নিচে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ স্পষ্ট। কেউ জানে না কোথা থেকে এল, বা কী ঘটেছে। অনেকে জানতেও চায় না। গ্রামের মধ্যে কানাঘুষো শুরু হল, “ওই তো সরকারবাড়ির পেছনের পথ দিয়ে আসছে! ওই তো রাধার কনিকা… বাঁচাও বাবা, আবার নাম জড়াবে গ্রামের।” কেউ জল এগিয়ে দিল না, কেউ তাকে…

  • Bangla - ভ্রমণ - রহস্য গল্প

    মানিকছড়ির মায়া

    শ্রেয়সী ঘোষাল ১ তপনজ্যোতি মুখার্জি ক্যামেরার ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল আগরতলা রেলস্টেশনের ঠিক বাইরে। ভোরবেলা ট্রেন এসে পৌঁছেছে, কিন্তু ত্রিপুরার পাহাড়ি বাতাসে যেন এক অজানা কিছুর গন্ধ ছিল—অদ্ভুত, রহস্যময়, আর আকর্ষণীয়। সামনে এসে দাঁড়ালেন মৃণালিনী ধর, তার একহাতে একটি নোটবুক, আর অন্যহাতে একটি পুরনো মানচিত্র। এই মানচিত্রেই চিহ্নিত করা ছিল মানিকছড়ি—একটা প্রায় হারিয়ে যাওয়া পাহাড়ি গ্রামের নাম, যেটা আজকের কোনও আধুনিক ম্যাপে খুঁজে পাওয়া যায় না। তপনজ্যোতি, একজন ডকুমেন্টারি নির্মাতা, পুরনো লোককথা নিয়ে কাজ করেন। কিছুদিন আগে একটি ট্রাইবাল মিউজিয়ামে পুরনো বই ঘাঁটতে গিয়ে এই ‘সময়-বিচ্ছিন্ন’ গ্রামের খোঁজ পান। তখনই ঠিক করেন, তিনি সেখানে যাবেন—যা খুঁজে পাওয়ার নয়, তাকেই…

  • Bangla - প্রেমের গল্প

    তোমার চোখে শালুক ফুটে

    অনিমেষ পাল অধ্যায় ১: চোখ খুলতেই জানালার বাইরের কুয়াশায় ঢাকা দৃশ্যটা ঝাপসা হয়ে গেল। কলকাতা থেকে আসার পর প্রথম সকাল, আর ঠিক তখনই ঋত্বিক বুঝে গেল—এই গ্রামের ভোর শহরের ভোর নয়। হেমন্তের কুয়াশা এখানে কেবল বাতাসে নয়, স্মৃতির ভেতরেও ঢুকে পড়ে। বাবা আর নেই। পঞ্চভূতে বিলীন হওয়ার পরেও যেন তার গলার কর্কশতা, ভাতের পাত থেকে ঝুলে পড়া মাছের কাঁটার মতোই, আজও জমে আছে দেয়ালে। গ্রামে ফিরে আসার আগে সে ভেবেছিল, হয়তো কিছুই চেনা লাগবে না। কিন্তু যখন মাটির উঠোনে পা রাখল, তখন মাটির নিচ থেকে শিকড়েরা যেন ফিসফিস করে ডেকে উঠল—“তুই ফিরে এসেছিস, ঋত্বিক!” পানের রঙে পুরনো হয়ে যাওয়া উঠোনের…

  • Hindi - प्रेम कहानियाँ

    दिल का रास्ता

    स्मिता कपूर करण एक सफल वकील था, जो हमेशा तर्क और क़ानून के आधार पर अपनी ज़िंदगी जीता था। उसने कभी भी अपनी भावनाओं को प्राथमिकता नहीं दी थी, और उसकी पूरी दुनिया सख्त अनुशासन और काम के हिसाब से चलती थी। वह अपने पेशे में माहिर था, और समाज में उसका सम्मान था। लेकिन एक दिन उसकी ज़िंदगी एक भयानक हादसे से बदल गई। उसकी मंगेतर, निशा, एक कार दुर्घटना में गंभीर रूप से घायल हो गई और पैरालाइज हो गई। वह जिस महिला को अपनी ज़िंदगी का साथी मानता था, वह अब शारीरिक और मानसिक रूप से पूरी…

  • Assamese

    অলপৰীক্ষা

    অনুৰাগ হাজৰিকা অৰুণৰ জীৱন আধুনিকতাৰ প্ৰবাহত মগ্ন আছিল। দিৰবৰুৱাৰ এক প্ৰসিদ্ধ চাহ বাগিচাৰ মেনেজাৰ হিচাপে, তেওঁৰ জীৱন আছিল কাম-কাজৰ চক্ৰৰে পূৰ্ণ, য’ত সময়ৰ অভাৱৰ বাবে ছুটিৰ দিনবোৰো নিস্তেজ পৰিছিল। বাগিচাৰ পৰা চাহৰ মূল্য বৃদ্ধি আৰু লাভৰ চিন্তাই তেওঁৰ মন্নৰ পৰা সকলো পুৰাণী চিন্তা মচি পেলাইছিল। চাহৰ গাছৰ মাজত খাটি থকা অৱস্থাত, তেওঁ নিজকে সদায় এক কঠিন জীৱনৰ অংশৰূপে দেখিছিল। কিন্তু একদিন, তাৰ পৰিসৰে আঁতৰি এক অজানা ৰোগৰ পৰা ভুগা আৰম্ভ হয়। আৰম্ভণিত মাত্ৰ হালধীয়া প্ৰশ্নৰ দৰে দেখাইছিল—হাঁপ, অলপ মন্নৰ কষ্ট, আৰু অকস্মাৎ ক্লান্তি। কিন্তু বেমাৰীটো গভীৰ হৈ পৰিছিল। তেজৰ পৰীক্ষা আৰু চিকিৎসকসকলৰ পৰামৰ্শেও কোনো ফল দিছিল না। চিকিৎসকবিলাক কৈছিল, “এটা…

  • English - Horror

    Chilling in Cherrapunji

    Pritha Mukherjee One Ani Roy stepped off the weather-stained bus and into the wet embrace of Cherrapunji’s legendary monsoon, the rain falling in silvery sheets that blurred the world into watercolor. His boots sank into the mud as he adjusted his camera bag, glancing back at Neel, who was wrestling with their gear under a dripping umbrella that had already given up its fight against the elements. Before them stood the lodge—a crumbling colonial relic with moss-eaten walls and narrow verandas that seemed to shiver under the weight of relentless rain. The carved wooden sign swung gently, its letters half-faded…

  • Bangla - ভূতের গল্প

    বটতলার প্রেতাত্মা

    পল্লবী ঘোষ ১ কলকাতার সেই রাতটা অদ্ভুতভাবে চুপচাপ, যেন হাওয়ার মধ্যে গল্প লুকিয়ে আছে—আর সেই গল্প শুনতে পাওয়ার জন্যই তন্ময় সেদিন রাতে বন্ধুবান্ধবের আড্ডা শেষে একা হাঁটতে বেরিয়েছিল। কলেজ স্ট্রিটের চায়ের দোকান থেকে বেরিয়ে বন্ধুরা যে যার দিকে চলে গেল, কিন্তু তন্ময়ের মনে এক অদ্ভুত আকর্ষণ টানতে লাগল তাকে অচেনা এক গলির দিকে। রাত তখন প্রায় বারোটা ছুঁই ছুঁই, রাস্তায় হালকা কুয়াশা, রাস্তার বাতির আলোয় ছায়া লম্বা হয়ে কুয়াশার মধ্যে মিশে যাচ্ছে। তন্ময় এই শহরটাকে ভালোবাসে—তার ইটের দেয়াল, পুরনো বাড়ির ছাদ থেকে ঝোলানো লতাপাতা, আর বিশেষ করে এই রাতের কলকাতাকে, যখন শহরটা নিজের মতো নিঃশব্দে শ্বাস ফেলে, নিজের অদেখা গল্পগুলো…

  • Bangla - প্রেমের গল্প - ভূতের গল্প

    কান্নার শব্দ, প্রেমের ছায়া

    ঐন্দ্রিলা সরকার অধ্যায় ১: “ঘরটি কিন্তু অনেকদিন ধরে খালি…” কলকাতার উত্তর শহরের এক কোণে, পিচঢালা সরু গলির মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিল একটি দু’তলা পুরনো বাড়ি। একসময় হয়তো কারও ভালোবাসায় তৈরি এই বাড়ি আজ যেন শুধুই ইট-পাথরের কাঠামো। দোতলায় কালচে ধূসর রঙের জানালাগুলো দিনের আলোতেও অদ্ভুতভাবে বন্ধ থাকে, যেন ভেতরে কেউ শুয়ে আছে শতাব্দীর ঘুমে। অর্ঘ্য সেনগুপ্ত, সদ্য কলেজে ভর্তি হওয়া এক ছাত্র, এমন একটি ভাড়াবাড়ি খুঁজছিল যেটা সস্তা, নিরিবিলি এবং কলেজের কাছাকাছি হয়। খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেখে এসেছিল আজ। নিচতলায় থাকেন বাড়ির মালিক রাধারমণ দাস, বয়স সত্তরের কাছাকাছি, কথা বলেন খুব কম। অর্ঘ্য যখন দরজায় কড়া নাড়ে, তখন এক বৃদ্ধের চোখে-মুখে…