দীপক মিস্ত্ৰী ১ বেঙ্গালুরুর উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল স্পেস রিসার্চ কমপ্লেক্সটি দিনের বেলায় সাধারণ সরকারি গবেষণাগারের মতোই মনে হয়, কিন্তু রাত নামলেই তার প্রকৃত চেহারা ধরা দেয়—যেখানে হাজারো যন্ত্রপাতি, স্যাটেলাইটের ক্ষুদ্র প্রতিরূপ, এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সর্বাধুনিক ল্যাবগুলো এক অদ্ভুত উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়। এখানে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চলতে থাকা গোপন প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাহসী ও রহস্যময় ছিল প্রকল্প নক্ষত্রবীজ। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য শুধু মহাকাশে উদ্ভিদ জন্মানো নয়, বরং এমন এক জীবন্ত সত্তা তৈরি করা, যে অক্সিজেনশূন্য চাঁদের ধূসর মাটি কিংবা মঙ্গলগ্রহের লৌহসমৃদ্ধ মৃত প্রান্তরে বেঁচে থাকতে পারবে এবং নিজে থেকেই অক্সিজেন উৎপন্ন করে একটি ক্ষুদ্র বাস্তুতন্ত্রের সূচনা ঘটাবে। পৃথিবীর সীমিত সম্পদ ও…
-
-
Drishan Nnaskar 1 The dawn broke over Kolkata with a muted hush, as though the city itself was reluctant to wake. From the eastern bank of the Hooghly, the mist still clung to the river like an old, grey shawl, and the metallic silhouette of Howrah Bridge loomed above, carrying the rumble of early trams and the shuffle of weary commuters. Fishermen pushed out their boats, calling softly to one another, while stray dogs barked at the rising sun. It was one of these fishermen who first saw the shape drifting in the water, just below the shadow of the…
-
অধ্যায় ১ – সাধকের যাত্রা অশ্বিনের জীবন শুরু হয় এক শান্ত গ্রামের পেছনের গাঁয়ের ছোট্ট আশ্রম থেকে, যেখানে প্রতিটি সকাল কীর্তনের স্বরে ভরে ওঠে এবং প্রতিটি সন্ধ্যা নির্জন প্রার্থনার আবেশে মিশে যায়। কিন্তু অশ্বিনের অন্তরে কেবল শান্তি নয়; ছিল এক গভীর অন্বেষণ, এক অদৃশ্য আগ্রহ যা তাকে গ্রামের সীমারেখার বাইরে পাঠিয়েছিল। তার চোখে অনন্তের খোঁজ, মনে অচেনা জ্ঞান অর্জনের তীব্র বাসনা। প্রতিদিন সে গ্রাম্য বেদে বসে বৃদ্ধ সাধকদের শিষ্যত্বের পাঠ শোনে, তবুও তার হৃদয় চাইল আরও বড় কিছু, এমন কিছু যা তার আত্মাকে শুদ্ধ করবে এবং তাকে মৃত্যুর পরে মুক্তির আলো দেখাবে। এই আত্মার তৃষ্ণা তাকে ধীরে ধীরে আশ্রমের সীমানার…
-
आकाश बर्मा नए किरायेदार परिवार के आने के साथ ही उस हवेली जैसे पुराने घर में एक अनकहा जीवन लौट आता है। हवेली बरसों से वीरान पड़ी थी—उसकी दीवारों पर समय की परतें जम चुकी थीं, रंग उखड़कर झड़ चुके थे और खिड़कियों पर धूल और मकड़ी के जाले ऐसे चिपके थे जैसे वे घर की असली सजावट हों। इस पुरानेपन के बीच भी उस घर की एक अलग भव्यता थी, मानो समय के प्रवाह के बावजूद वह अब भी अपने शान और रहस्यमय ठाठ को बचाए हुए हो। परिवार ने जब पहली बार उस हवेली में कदम रखा तो…
-
অন্বেষা হাজৰিকা অধ্যায় ১ – পুৰণি মঠত প্ৰৱেশ গুৱাহাটী বিশ্ববিদ্যালয়ৰ ইতিহাস বিভাগৰ অধ্যাপক অজয় শইকীয়া বহু দিন ধৰি আহোম ৰাজত্বৰ গুপ্ত ইতিহাসৰ ওপৰত গৱেষণা কৰি আছিল। তাৰ গৱেষণাৰ মূল বিষয় আছিল আহোম রাজন্যসকলৰ সময়ত ৰচনা কৰা গুপ্ত মানচিত্ৰ আৰু দলিলসমূহ যিবোৰে অসমৰ সুৰক্ষা, ৰাজনৈতিক চালাকি আৰু ভৌগোলিক গোপনীয়তাৰ এক অভিনৱ কাহিনী ক’ব পাৰে। এইবোৰ দলিলৰ বেছিভাগ ইতিমধ্যে গুৱাহাটীৰ জাদুঘৰ আৰু কিছুমান ৰাজবংশীয় আর্কাইভত পোৱা গৈছিল, কিন্তু বহুত অংশ সদায়ই রহস্যৰ আঁৰত লুকাই ৰ’ল। একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ৰ গ্ৰন্থাগাৰৰ এটা পুৰণি পান্ডুলিপি চোৱাৰ সময়ত অধ্যাপক অজয়ে কাগজৰ কোঁচত এটা নাম পায়—‘ৰঙামাটি মঠ’। সেই নামৰ সৈতে জড়িত এক ধোঁৱাশাৰ কাহিনী উল্লেখ আছিল, য’ত কোৱা…
-
অর্পণ মিত্র অধ্যায় ১ – প্রথম ফোঁটা কলকাতার আকাশ কেমন যেন অচেনা রঙের ছিল সেই দিন, যেন বর্ষার প্রথম ফোঁটা এসে শহরের পুরনো রাস্তাগুলোকে নতুন জীবন দিতে চেয়েছে। ভেজা ইটের ফুটপাথ, নোনা কংক্রিটের দেওয়াল, আর রাস্তায় ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট জলরঙের পুলের মধ্যে কেবল বৃষ্টির নরম শব্দই ভেসে আসছিল। মায়া, তরুণী যে বয়সেই শহরের কোলাহল থেকে একেবারে দূরে থাকতে ভালোবাসত, ভেজা ছাতার ভাঁজ মাথায় নিয়ে ধীরে ধীরে “নীলবাতি” নামের চায়ের দোকানের দিকে এগোয়। দোকানের ছোট্ট নীল বাতিটি দূর থেকে তাঁকে আহ্বান করছিল—এক ধরনের অদ্ভুত আকর্ষণ, যেন শহরের সব ভিড় ও আওয়াজ এই এক জায়গায় মিলিত হয়। ভেতরে ঢুকে মায়া যেন…
-
গৌতম ভৌমিক ১ শরৎকালীন আকাশে সাদা মেঘের পালক যেন উড়ে বেড়াচ্ছে। দূরে সবুজ ধানের ক্ষেতে হালকা বাতাস বয়ে যায়, তার সঙ্গে মিশে আছে কাশফুলের দোল খাওয়া, গোধূলি রঙে রাঙা হয়ে ওঠা আকাশ, আর তারই ভেতর গ্রামজুড়ে শুরু হয়েছে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি। গ্রামের চৌমাথার কাছে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে প্যান্ডেল—এবার থিম ‘নবরূপিণী দুর্গা’। গ্রামের কারিগররা দিনরাত খেটে যাচ্ছেন, বাঁশের গাঁথুনির উপর কাপড়ের ক্যানভাস টাঙিয়ে তুলছেন মণ্ডপ, মাটির মূর্তির গায়ে তুলির টান টেনে আনছেন দেবীর সৌন্দর্য। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা মুগ্ধ চোখে সেই কাজ দেখে বেড়ায়, আর যুবকেরা আলোর তার ঝোলাচ্ছে গলিপথে। বাজারে পুজোর ভিড় জমেছে; সবাই নতুন কাপড়, ধূপ, মিষ্টি, উপহার…
-
প্ৰদ্যুম্ন মুখার্জী অধ্যায় ১ – আতরের গন্ধে ভরা ঘর অরিত্র ছিল এক তরুণ ইতিহাসবিদ, যিনি অদ্ভুত বিষয় আর অজানা ইতিহাসের খোঁজে ঘুরে বেড়াতেন। কলকাতার শহরতলির বিস্মৃত গলি আর সময়ের ধুলো জমা রাজবাড়িগুলো তার গবেষণার মূল ক্ষেত্র। একদিন তিনি শুনলেন এক প্রাসাদের কথা, যা আজও স্থানীয়দের কাছে রহস্যে মোড়া। এই প্রাসাদটি একসময় জমিদার দীনেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ছিল, যার রাজকীয় ঐশ্বর্য বহু আগেই মাটির তলায় মিশে গেছে, কিন্তু রয়ে গেছে এক অদ্ভুত গুজব—প্রাসাদের ভেতরে একটি ঘর আছে, যেখানে ঢুকলেই ভেসে ওঠে আতরের গন্ধ। অথচ সেই ঘরে আর কেউ থাকে না, বরং বহু বছর আগে সেখানে এক নববধূর মৃত্যু হয়েছিল। গ্রামের মানুষজন এখনো সন্ধ্যার…
-
নয়না ঘোষ অধ্যায় ১: নিঃসঙ্গতার ছায়া মায়া বড় শহরের এক আধুনিক স্টুডিওর মধ্যে বসে থাকে, যেখানে জানালার কাচে বিকেলের আলো আলোর খেলা খেলে। স্টুডিওর দেয়ালগুলো সাদা, কিন্তু সেই সাদার মধ্যে যেন অদৃশ্যভাবে তার নিজের ভাঙা জীবনের ছায়া ঢেকে আছে। প্রায়শই সে নিজেকে ভেতরে ভেতরে শূন্য বোধ করে, যেন চারপাশের কোলাহল, মানুষের উদাসীন হাসি এবং শহরের ব্যস্ততা কিছুতেই তার আত্মার মধ্যে ঢুকতে পারছে না। ফাঁকা ক্যানভাসগুলো কোণে একাকী দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু তারা যেন শুধু শূন্যতার প্রতিচ্ছবি নয়, বরং মায়ার নিঃসঙ্গতার গভীর অনুভূতি প্রকাশ করছে। তার দৃষ্টিতে প্রতিটি ফাঁকা ক্যানভাস যেন একটি মৃদু ডাক, যা তার ভিতরে লুকানো আবেগকে ছুঁয়ে দিচ্ছে—আবেগ যা…
-
সোনালী সরকার এক রবিবারের সকালটা কলকাতার বাকি দিনের থেকে আলাদা। শহর যেন একটু দেরিতে জেগে ওঠে, রাস্তায় গাড়ির ভিড় কম, বাতাসে থাকে একধরনের অলস নরমতা। চৌরঙ্গির পথ ধরে চলা পুরোনো নীল ট্রামটাও যেন সেই শান্তির সুরে বাজতে থাকে। জানলার ধারে বসে প্রিয়া ট্রামের ধাতব শব্দ শুনতে শুনতে শহরের ভোরের সৌন্দর্য উপভোগ করে। আকাশে হালকা মেঘের ছায়া, সূর্যের কুঁচকানো আলো নীলচে ধূসর রঙের সঙ্গে মিশে তৈরি করছে এক অদ্ভুত রঙপট। কলেজ স্ট্রিটের বইয়ের গন্ধ, পুরনো বাড়ির ছায়া, রাস্তার ধারে অল্প ক’জন চা-ওয়ালার ডাক—সব মিলিয়ে এই সকাল যেন অন্য দিনের চেয়ে বেশি ব্যক্তিগত। প্রিয়ার চোখে প্রতিফলিত হয় এই শহরের ধীর ছন্দ, তার…