সোহিনী রায় অধ্যায় ১: কলকাতার বৌবাজারের গলির শেষ মাথায় এক পুরনো দোতলা বাড়ি—সাদা রং মলিন হয়ে ধূসর, ছাদের কার্নিশে দোয়েলের বাসা, আর পেছনের বারান্দায় ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপের পাশে বসে কবি সৌরীন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিদিনের মতোই বিকেলের কাগজে চোখ বুলিয়ে যাচ্ছিলেন। বয়স পঁত্রিশ ছুঁইছুঁই, কিন্তু চোখে একটানা জেগে থাকার ক্লান্তি, ঠোঁটের কোনে বিগত প্রেমের দাগ, আর কাঁধে ঝোলানো ভরা ব্যাগে পুরনো কবিতা ও কয়েকটি অপ্রকাশিত পত্রিকা। পত্রিকা ‘শব্দমেঘ’—তাঁরই হাতে গড়া এক ক্ষুদ্র সাহিত্যের বাতিঘর, যেখানে প্রতি মাসে তিনি অল্প কয়েকটি কবিতা প্রকাশ করেন, মূলত অজানা লেখকদের সুযোগ করে দিতে ভালোবাসেন তিনি। তাঁর মনে হত, যে লেখা পাঠকের হৃদয় চিরে যায়, তার…
-
-
অভিজিৎ কাকতি ঋষভ দত্তৰ তাজা শংসাপত্ৰখনতকালেই চুকা শুকান নাই। গুৱাহাটী এগ্রিকালচাৰেল ইউনিভাৰ্সিটীৰ পৰা জুলজিৰ স্নাতক হোৱাৰ পাছত তেওঁ কল্পনাই নকৰা এক দায়িত্বত নিয়োজিত হ’বলৈ আহিছে—কাজিৰঙা ৰাষ্ট্ৰীয় উদ্যানত হাতী সংৰক্ষণ প্ৰকল্পত জুনিয়ৰ বায়লজিষ্ট হিচাপে নিযুক্তি। গুৱাহাটীৰ ব্যস্ত গৰাজীয়া জনজীৱন এৰি, কাজিৰঙাৰ গহীন জংঘলত পুৱা-পুৱা কুঁৱলীৰ মাজেৰে জোনাকী আলিৰে ভৰা এডাল পথৰ দিশে তেওঁ যেতিয়া বাহনটোত উঠি আগবাঢ়ি আহিছিল, তেতিয়াই তেওঁৰ মনত এটা বিশাল উত্তেজনা আৰু আশংকাৰ মিলনজনক অনুভূতি ঢৌ মাৰিছিল। তেওঁ জানিছিল এই দায়িত্ব কেৱল বিজ্ঞান বা চাকৰিৰ কথা নহয়, এইটো হৈছে জন্তু-জীৱৰ প্ৰতি তেওঁৰ আন্তৰিক কৰ্তব্যৰ এক অভূতপূৰ্ব অধ্যায়। উদ্যানটোত উপস্থিত হোৱাৰ পাছত, তেওঁক বন বিভাগৰ কৰ্তৃপক্ষ নবীন শইকীয়াই অভ্যর্থনা…
-
मानव वर्धन १ मध्य प्रदेश के भीतरी हिस्सों में बसा था एक पुराना, लगभग भुला दिया गया गाँव — बेरोज़ा। इस गाँव का नाम तक मानचित्रों में साफ़ नहीं दिखता था, लेकिन उसकी कहानियाँ लोकगीतों और बुज़ुर्गों की फुसफुसाहटों में अब भी ज़िंदा थीं। किसी जमाने में यह इलाका राजा वीरप्रताप सिंह के अधीन था, जिनकी विशाल हवेली अब वीरान पड़ी थी। हवेली की जर्जर दीवारें, छत पर उगी काई, टूटी खिड़कियाँ और सामने की परछाइयाँ — सब मिलकर उस जगह को किसी शापित चित्र की तरह बनाते थे। पत्रकार शौर्य वर्मा और उसकी कैमरा ऑपरेटर मित्र दीपिका उस दिन…
-
Meghna Rao 1 The skies over Bengaluru were unusually clear that Thursday morning as dignitaries, media personnel, and shareholders gathered beneath a white canopy set up in front of the city’s newest architectural marvel—Skyrise X. Towering fifty-four stories high, its glass façade shimmered like a knife under sunlight, cutting through the skyline of the tech capital with defiant elegance. Designed by the legendary Arvind Raghavan and funded by real estate giant R&R Infrastructures, the building was hailed as the future of vertical urban living—complete with rooftop gardens, automated energy grids, and helipad access. Cameras flashed, champagne flowed, and applause erupted…
-
অধ্যায় ১: চিঠির মতো নিঃশব্দ পাহাড়ে ওঠার পথে হঠাৎ করে কুয়াশা ঘন হয়ে এল। ট্রেকিং পাথ বেয়ে যে ঘোড়ামারা ডাকে ওঠা গ্রামের দিকে এগোচ্ছিল অভিজিৎ সরকার, তার চারপাশে যেন হঠাৎই সময় থমকে গেল। বালির কাঁধে বয়ে আনা ছোট স্যুটকেস, একটা জলচৌকো ব্যাগ আর হাতে ধরা সরকারি ফাইলের খাম—সবই ভার হয়ে উঠল যেন হঠাৎ। এই ডাকঘরটা, পুরুলিয়ার এক পাহাড়ি অঞ্চলের প্রান্তে অবস্থিত, বহু বছর আগেই তালাবদ্ধ হয়ে গিয়েছিল বলে রেকর্ডে লেখা ছিল। কিন্তু হেড অফিস থেকে অদ্ভুত এক চিঠির সূত্র ধরে, তাকে বদলি করা হল এই ‘বন্ধ’ ডাকঘরে। সে ভেবেছিল হয়তো কোনো ফাইলের গরমিল, অথবা ভুল পদক্ষেপ। কিন্তু বদলিপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন…
-
সুব্রত রায় এক ১৯৮০ সালের কলকাতা শহরের সকালগুলো ছিল নিরালায় মোড়া, পাখির কিচিরমিচিরে ভরা এবং শহরের গায়ে তখনও আধুনিকতার খোলস পুরোপুরি চেপে বসেনি। শ্যামবাজার থেকে ট্রাম ছাড়ে প্রতিদিন সকাল ৮টা ১০ মিনিটে, ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে ধর্মতলার দিকে। ঠিক এই ট্রামেই প্রতিদিন ওঠে অনিমেষ মুখার্জী, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা, হাতে পুরনো কাপড় বাঁধানো একটা খাতা, যাতে সে নিজের মতো করে কবিতা লেখে আর অলস দুপুরে গুটিগুটি অক্ষরে নিজের মনোভাবের ছায়া ফেলে রাখে। সরকারি কলেজের লাইব্রেরিতে চাকরি করে ছেলেটি, স্নাতকোত্তর শেষ করে যেই চাকরি জুটেছে, তাতেই পরিতৃপ্ত। তার জীবনে রোমাঞ্চের জায়গা নেই, কিংবা সে তা নিজেই হতে দেয়নি—বাবার অবর্তমানে সংসারের দায়িত্ব…
-
Siddharth Menon 1 It was a Tuesday night in T. Nagar, but the heat clung to the crumbling walls of Flat 104 like a desperate tenant refusing eviction. The creaky ceiling fan spun half-heartedly, threatening to fall with every rotation, while four men lay in various stages of exhaustion and hopelessness across mismatched plastic chairs and a cushionless diwan. Arjun, or AJ as he insisted on being called, stared at the ceiling with the focus of a man calculating the philosophical purpose of unpaid rent. “Four days left before the landlord removes us like expired chutney,” he muttered. Karthik, perched…
-
निखिल देसाई १ कच्छ के सफेद रेगिस्तान में जब सूर्य ढलता है, तो आकाश किसी सूती कपड़े पर फैले सिंदूरी रंग-सा लगता है। ध्रुव पटेल ने कैमरे की लेंस से उस दृश्य को कैद करते हुए गहरी साँस ली। “WanderSoul.in” पर पोस्ट होने वाली यह उसकी अगली कहानी थी, और वह चाहता था कि यह कुछ अलग हो—कुछ ऐसा जो पाठकों को रेगिस्तान की गंध, उसके रंग और उसकी नीरवता तक पहुँचा दे। अहमदाबाद से आए हुए उसे तीन दिन हो चुके थे और रण उत्सव की भीड़-भाड़ से दूर वह भुज से लगभग सत्तर किलोमीटर दूर एक गांव, खुदर…
-
দেবজ্যোতি শৰ্মা পুৱাৰ মিঠা ৰ’দে গুৱাহাটী বিশ্ববিদ্যালয়ৰ পৰা ওলাই অহা ধুলি-ধূসৰ পথখনত চুকি উঠা ধোঁৱাৰ দৰে বতাহ বোৱাইছিল। অনিরুদ্ধ ডেকা, ইতিহাস বিভাগৰ এগৰাকী তৃতীয় বৰ্ষৰ এম.ফিল. গৱেষক, বাছৰ পৰা নামি এখন চামৰাৰ ব্যাগ টানিবলৈ ধৰিলে। তেওঁৰ চকুত আছিল বেলেগ এক উজ্বলতা — আগন্তুক গৱেষণাৰ আশা, উত্তেজনা, আৰু কৌতূহলৰ পটভূমিত এটা অজান স্থানলৈ যাত্ৰা। আজি তেওঁ গৈ আছে কামৰূপ জিলাৰ প্ৰায় বিস্মৃত এখন গাঁওলৈ — চিলাবৰী। বহুবছৰ আগতে বিশ্ববিদ্যালয়ৰ এটি ডকুমেণ্টচ সেলত দৃষ্টিপত কৰা এটা পুৰণি নথিপত্ৰত এই গাঁৱৰ এখন ‘পুথিভঁৰাল’ৰ নাম উল্লেখ পাইছিল তেওঁ। তাত উল্লেখ আছিল — “ব্ৰিটিছৰ আগমনৰ পূৰ্বে আহোম সাম্ৰাজ্যৰ শাসনকালত এটি ব্যক্তিগত পুথিভঁৰাল য’ত তাম্রলিপি, হস্তলিখিত…
-
চৈতালি মুখার্জী ১ ভোর সাড়ে চারটে। দমদমের একটি পুরোনো একতলা বাড়ির উঁচু-নীচু ইটের মেঝেতে পা রাখতেই ঠান্ডা সরে আসে পায়ের পাতায়। মীরা কাঁধে গামছা ঝুলিয়ে রান্নাঘরের দিকে এগোয়। উনুনে কেরোসিন ঢালার শব্দ, দেশলাইয়ের কাঠি ঘষে আগুন জ্বালায় সে—শব্দ হয় ফিসফিসে, অথচ বুকের ভিতর এই মুহূর্তেই যেন এক ধরণের আগুন জ্বলে ওঠে। চাল ধোয়া জল হাতে করে হাঁড়িতে ফেলে সে, পেঁয়াজ কুচো করে ফেলে সঙ্গে সঙ্গে—তাড়াহুড়োতে আঙুল কেটে গেলে পাত্তা দেয় না। চাপা নিঃশ্বাস ফেলে সে মাঝে মাঝে—আজ তিনটি নতুন অর্ডার এসেছে, তার মানে ১৩টা টিফিন বানাতে হবে, একটাও যেন কম তেল না হয়, বেশ ঝাল না হয়, আরেকটায় যেন কড়ি…