Debasish Guha Chapter 1: The Cracked Clay The scent of wet earth and incense filled the narrow lanes of Kumartuli as the morning sun filtered through bamboo scaffolding and half-finished goddesses. It was five days before Mahalaya, and the air in Kolkata shimmered with anticipation. The idol-makers worked tirelessly, smearing layers of straw and clay onto skeletal bamboo frames, coaxing divine forms into being. But something had gone terribly wrong at Workshop No. 14. Apprentice boys stood frozen outside, whispering in hushed tones as their trembling eyes stayed locked on the massive figure of a half-finished Durga. The goddess’s eyes,…
-
-
Mukund Tiwari 1 The village of Gopalpur, tucked between the dry hills of Chhatarpur, had a peculiar glow that night. Not from electricity—no, that was a rare guest—but from a string of solar-powered panchlights flickering weakly along the dusty lane that led to the banyan tree near the temple. Beneath its sprawling roots, the villagers had gathered for the annual shukravaar bhoj, hosted as always by Sarpanch Ramesh Tiwari. Plastic chairs were arranged by caste rank, older men chewed pan and gossiped in Bundeli, and a cauldron of steaming dal bafla perfumed the air with spices. Nakul Pandey, the newly…
-
বর্ণালী রাহা ১ শহরের উত্তর দিকের পুরনো অলিগলির মধ্যে এমন একটা গলি আছে, যার নাম কেউ ঠিক ঠাহর করতে পারে না। লোকমুখে বলে “লালগলি”, কেউ আবার “ঠাকুরদালান গলি” বলে ডাকেন— কিন্তু অফিসিয়াল মানচিত্রে তার কোনও অস্তিত্ব নেই। এই গলির একদম শেষে, পুরোনো পাথরের সিঁড়ি ঘেঁষে, এক আধভাঙা দোকান। বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না কী বিক্রি হয় সেখানে। দোকানের নামফলক নেই, কাচের জানালাও নেই—শুধু লাল কাপড় দিয়ে ঢাকা একটা কাচবিহীন গেট। কিন্তু সন্ধ্যে নামতেই ভেতর থেকে একরকম আলো ঝলসে ওঠে, যেন কেউ ভিতরে রক্তমাখা প্রদীপ জ্বালিয়ে দিয়েছে। দোকানটির নাম কেউ কখনো জিজ্ঞেস করে না—যারা আসে, তারা ঠিক পথ খুঁজে নেয়।…
-
অস্মিতা ঘোষ অধ্যায় ১: স্মৃতির পুরনো খাতায় শহরের এক কোণে অর্ধেক ভেঙে যাওয়া সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাওয়া কোলাহলমুক্ত বাড়িটি ছিল একসময় ‘কলকাতা কলেজ অব আর্টস’-এর পুরনো ভবন। এখন তার গায়ে ধুলো জমে, গায়ে গায়ে শ্যাওলা, আর ভেতরে জমে থাকা স্মৃতি। ঠিক তেমনই একটা সকালের কথা। ডিসেম্বরের মিঠে রোদে কাঠের জানালার ফাঁক গলে আলো পড়ে সাদা পাথরের করিডোরে। আর করিডোর জুড়ে পা ফেলে হাঁটছে এক মধ্যবয়সী পুরুষ – সুদীপ্ত সেন। সুদীপ্ত এখন একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায় সিনিয়র কনসালট্যান্ট। সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলেছে—চুলে পাক ধরেছে, মুখে পরিণত এক বিষণ্নতার রেখা, কিন্তু চোখদুটি এখনও সেই রকমই স্বপ্নময়। বহুদিন পর ফিরেছে কলেজে—প্রাক্তনী মেলা উপলক্ষে।…
-
নির্মাল্য সেনগুপ্ত এক পাথুরে পাহাড়, দূরের শাল-পলাশের বন আর উষার কুয়াশায় মোড়ানো পথ ধরে যখন অভিজিৎ আর রোহনের জিপটা ঢুকছিল পুরুলিয়ার নিসর্গপুরে, তখন সকাল গড়িয়ে দুপুর প্রায়। ঝিরঝিরে হাওয়ায় পাতা কাঁপছিল, গাছের ছায়া রাস্তার উপর ভেসে বেড়াচ্ছিল নিরবে। অভিজিৎ জানালা দিয়ে মাথা বের করে ভিডিও করছিল, ক্যামেরার সামনে হাসি ঝলমল করে বলছিল, “ওয়েলকাম টু দ্য আনচার্টেড, বন্ধুরা! আজ আমরা এসেছি পশ্চিমবঙ্গের এক রহস্যময় গ্রামে, যার নাম নিসর্গপুর। এখানে প্রতি পূর্ণিমায় পাহাড় থেকে শোনা যায় রুদ্রতাণ্ডবের ধ্বনি, আর বলে হয়, শত বছর আগে এখানে এক নীলকণ্ঠ সন্ন্যাসী ধ্যানমগ্ন হয়েছিলেন… কেউ তাঁর ধ্যানভঙ্গ করলে আর ফিরতে পারে না। সত্যি? না গুজব? চলুন,…
-
Saurabh Kulkarni Chapter 1: Arrival at the Coastal Shadows The Konkan sky was a silver sheet of clouds when Sharvani Patil stepped off the rickety ferry onto the moss-lined jetty of Sindhudurg Fort. The Arabian Sea, though unusually calm that day, still carried a scent of restless secrets. From a distance, the fort rose out of the water like a battered crown—its laterite walls darkened by centuries of salt and time, guarding stories the world had forgotten. Sharvani adjusted her backpack, narrowed her eyes against the gusts of sea spray, and turned to her assistant. “You okay, Kabir?” she asked.…
-
সঞ্জীৱ বেজবৰুৱা ১ ধূপতলি—এজনজন শুই থকা গাঁও, গৰমৰ সময়ত গছবোৰৰ পাত বাগৰাৰ শব্দহে যেন দিনটোৰ একমাত্ৰ সংগীত। সেই গাঁওখনৰ কাষৰ চাৰিআলি এখন জংগলীয়া পথত পৰে হীৰেণ বৰাৰ ঘৰ, এটি পুৰণি কাঠৰ ঘৰ, য’ত অৱহেলাৰ ধূলি জমিছে, আৰু তাৰেই ভিতৰত আছিল তেওঁৰ অন্তিম সৃষ্টি। হীৰেণ—এজন একাকী, বেলেগ মনৰ চিত্ৰশিল্পী। দহ বছৰৰ পৰা সমাজৰ পৰাই বিচ্ছিন্ন। তেওঁৰ কাৰ্যত কমেই লোকে আগ্ৰহ দেখুওৱা হৈছিল, কিন্তু তেওঁৰ ছবি থকা কাৰণে তেওঁক গাঁওৰ “পাগল চিত্ৰকাৰ” বুলি চিনি লোৱা হৈছিল। তেওঁ সকলোৰে পৰা আঁতৰি থাকিছিল, আৰু তেওঁৰ সৃষ্টিসমূহও আছিল বেজাৰত ভৰা—মূৰ্ছ্ছনাবোৰ যেন এক অদৃশ্য আৱেগৰ ফটোগ্ৰাফ। সেইদিনা, এজাক ধুমুহাৰ আগত গাঁওখনত পোন প্ৰথমে বাতৰি বজ্ৰপাতৰ দৰে…
-
ভাস্কর ভট্টাচার্য ১ নদিয়ার গ্রামের মেঠো রাস্তাগুলো যেন এখনো কুয়াশা গিলে রাখা স্মৃতির মতো। শহুরে ব্যস্ততার ভিড়ে পঁচিশ বছর পার করা অর্ঘ্য সেনগুপ্তর মনে হলো, গ্রামের মাঠের গন্ধটা আজও বদলায়নি। লাল মাটির পায়ে ধুলো লাগিয়ে সে নামল বাস থেকে, আর পেছনে তাকিয়ে দেখল একটুকরো ফেলে আসা সময় ধীরে ধীরে কাছে এগিয়ে আসছে। পেটচেরা রোদের মাঝে মাথার ওপর গাঢ় সবুজ তালগাছগুলো হেলে পড়েছে, পাশে পাটক্ষেতের গায়ে গায়ে গা ঘেঁষে সাঁই সাঁই করে ছুটছে দক্ষিণা বাতাস। স্টেশনের ধারে চায়ের দোকানে সেই পুরোনো হরিপদ কাকুর চায়ের হাঁড়ি এখনো উনুনে বসে, আর কাকুর চোখেমুখে সেই চেনা কৌতূহল—“চেনা চেনা লাগতেছে নাতি, তুই কি হরেন বাবুর…
-
তথাগত সান্যাল অধ্যায় ১: ডামরুর প্রথম ধ্বনি শিবরাত্রির রাত। হিমছোঁয়া বাতাসে ভেসে আসছে ধূপধুনোর গন্ধ, শালবনের ফাঁকে পূর্ণিমার চাঁদের আলো ঠিকরে পড়ছে মাটি ছুঁয়ে। উত্তর ত্রিপুরার অরণ্যঘেরা গুহামন্দিরে দাঁড়িয়ে ঋভু রায়চৌধুরী অনুভব করলেন—এ কেবল একটি সাধারন রাত্রি নয়। দিনদুয়েক আগেই কলকাতা থেকে আসার সময় লোকাল ড্রাইভার বলে দিয়েছিল, “এই মন্দিরে আজও কিছু ঘটে… বিশেষ করে শিবরাত্রির রাতে।” ঋভু প্রথমে হেসেছিলেন। তবে সেই হাসি চাপা পড়ে গেল, যখন তিনি ওই গুহার সামনে পৌঁছে এক ছায়াময় বৃদ্ধকে বসে থাকতে দেখলেন—দাঁতহীন মুখে কাঁচা-পাকা দাড়ি, গায়ে জটাধারী চেহারা, আর হাতে ছিল একটি পুরনো কাঠের বাক্স। বৃদ্ধ কোনও কথা না বলে কেবল ইশারায় বাক্সটি ঋভুর…
-
নন্দিনী পাল ১ বাতাসটা ভারি ছিল, যেন চোখের পাতায়ও ধুলো জমেছে। ২১৮০ সালের কলকাতা, এখন আর কলকাতা নেই—নাম পাল্টে হয়েছে “এয়ারজোন-৯”। শহরের আকাশে সবুজ নেই, কেবল ধূসর ও গাঢ় বাদামি রঙের এক বিষাক্ত স্তর যা দিনের আলোকেও ম্লান করে দেয়। মানুষ হাঁটে ফিল্টার মাস্কে মুখ ঢেকে, শিশুদের কৃত্রিম ফুসফুসে জন্ম দিতে হয়। আর সেই অদ্ভুত পৃথিবীর এক কোণে, কাঁচের ছাদের নিচে একটি ছোট্ট কেবিনে বসে আছে আরুণিকা সেন, চোখে ক্লান্তি, হাতে ট্যাবলেট, আর সামনে মায়ের বিছানা—ভেন্টিলেটরে নিঃশব্দে শুয়ে থাকা এক জীর্ণ শরীর। মায়ের চোখ বন্ধ, তবে মন খোলা—কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ যেন এ ঘরের একমাত্র জীবনের চিহ্ন। হাসপাতালের এই “অক্সি-ওয়ার্ড” প্রতি…